Hit enter after type your search item
মাহবুবওসমানী.কম

ডিজিটাল মার্কেটিং ব্লগ

ইমেইল মারকেটিং এর গুষ্টি উদ্ধার!

/
/
/
117 Views

ইমেইল মারকেটিং এর গুষ্টি উদ্ধার!

আলহামদুলিলাহ শুরু করছি ইমেইল মারকেটিং এর প্রথম পর্ব। সারপ কি গ্রউপ্টির সকল মেম্বার, এডমিন সবাই কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাকে লেখার সুযোগ দেবার জন্য। বাংলায় লেখা আমার জন্য একটু কষ্টের তারপরও অভ্র কীবোর্ডের জন্য লিখতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ , একটু দেরি হয়ে যাবার জন্য ক্ষমা চাই।
তো শুরু করা যাক, আপনারা যদি একটু ওয়েবে ঘেঁটে দেখেন যে ইমেইল মার্কেটিং এর সুবিধা কি কি তাহলা না না মুখি পরিসংখ্যান দেখতে পাবেন। ২০১৯ সাল নাগাদ ইমেইল ব্যাবহারকারির সংখা ছিল ৩.৯ বিলিয়ন আর সেটা ২০২৩ সালের মধ্যে ৪.৩ বিলিয়ন হয়ে যাবে। তাহলে একটু ভেবে দেখুন যে ইমেইল মার্কেটিং (ডিজিটাল মার্কেটিং পদ্ধতি) কে কোনভাবেই উপেক্ষা করার জো নেই।
আরও কিছু পরিসংখ্যান আমরা যদি দেখি যে, শুধু মাত্র ২০১৯ সালেই ২৯৩.৬ বিলিয়ন ইমেইল পাঠানো হয়েছে আর সেটা ২০২২ সালেই ৩৪৮.৩ বিলিয়নে পৌঁছাবে।
ডিজিটাল মার্কেটিং এ – আপনি ৪২% থেকে ৪৭% পর্যন্ত বিনিয়গের রিটার্ন পাবেন এই ইমেইল মার্কেটিং মাধ্যমে। ভাবছেন একগুলো কি আমার কথা? না এগুল গ্লোবাল মার্কেটিং পরিসংখ্যান থেকে আমার জানা। এখন চলুন জানি যে ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আমরা কিভাবে আমাদের বিজনেসকে একটি স্টিডি প্রফিট চালনা (Flow) করতে পারি।
নিচের সবগুলো সুবিধাই আমরা ইমেইল মারকেটিং এর মাধ্যমে আমাদের সাইট এ অটোম্যাট করে রাখতে পারি এবং একবার সেট করেই ভুলে যেতে পারি তবে মাঝে মাঝে যদি রেজাল্ট দেখে আপডেট করি তাহলে আরও ভাল ভাবে সুফল পেতে থাকব ইনশাআল্লাহ। কি কি সুবিধা পেতে পারি? এবং কিভাবে এই সিস্টেম সেটাপ করব। প্রথমে সুবিধাগুলো জানি তারপর কনফিগার করা শিখব।
১। সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করতে পারা।
২। তাৎক্ষনিকভাবে আপনার কন্টেন্ট প্রচার করতে পারা।
৩। মার্কেটিং খরচ কমিয়ে ফেলা।
৪। আপনার সাইটে এর ট্রাফিক বৃদ্ধি করা।
৫। রিডার লয়্যাল্টি তৈরি করা।
৬। আপনার বা আপনার সাইটের ব্রান্ডিং করা।
৭। ইনস্ট্যান্ট সেল মেইক করা। রেভেনিউ বাড়িয়ে নেয়া।
৮। নিজের ভিজিটরদের নিয়ত্রনে রাখতে পারা।
৯। লিড বিক্রি করে আয় করার সুযোগ (লিগাল ইল্লিগাল দুইটাই আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ)।
১০। পুরো মার্কেটিং পদ্ধতিটাই অটোমেটিক করতে পারা।

Build your brand, sell online by a Best Email Marketing Service

১১। ট্রাফিক রিটেনশন ঠিক রাখে, এট্রিশন ঠিক রাখে।
১২। সার্ভের মাধ্যমে ডাটা নিয়ে আরো রিচ কনটেন্ট তৈরি করতে পারা।
১৩। ফাস্ট গুগল ইন্ডেক্সিং করতে পারা।
১৪। আপনার পক্ষে রিভিউজ এবং টেশটিমনি সংগ্রহ করতে পারা।
১৫। যখন ইচ্ছা তখন শুরু করতে পারা।
১৬। একেবারেই নতুন সাইট প্রমট করতে পারা এবং ট্রাফিক ফ্লো চালু করতে পারা।
১৭। অরগানিক ব্যাক লিংক তৈরি হবার সুযোগ সৃষ্টি হউয়া।
১৮। আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমিয়ে দারুন ইউজার এক্সপেরিন্স দেয়া।
১৯। নতুন কনটেন্ট আইডিয়া তৈরি হওয়া।
২০। আর অজানা অনেক সুবিধা।

প্রাথমিকভাবে কি কি করতে হবে।

প্রথমেই আপনাকে কোন একটি ইমেইল মার্কেটিং প্লাটফর্মে এ সাইন আপ করে ফেলতে হবে। হক সেটা মেইলচিম্প, গেট রেসপন্স, এওয়েবার, কন্সট্যন্ট কন্ট্যক্ট বা মেইলার লাইট। কিছু কিছু কোম্পানি ১০০০ বা ২০০০ সাবস্ক্রাইবার পর্যন্ত ফ্রী ইউজ করতে দেয় এবং সকল ধরনের ইমেইল পাঠাতে দেয়। আমি নিজে মেইলচিম্প ব্যবাহার করে থাকি। আমার জানামতে মেইলার লাইট অনেক সস্তা। নিচের টিউটরিয়াল দেখে আপনি মেইলচিম্প এ সাইন আপ করে নিতে পারবেন।
ধরে নিন যে আপনার হাতে একটা এ কে 47 আছে তাহলে নিচের টিউটরিয়াল গুলো হল সেটার বুলেট। উপরের যতগুলো পয়েন্ট আপনি জেনেছেন তার সবগুলোই নির্ভর করছে নিচের টিউটরিয়াল গুলোর উপর। কখন কোনটা ব্যবহার করতে হবে সেটা পরে সেকশনে দিয়ে দিচ্ছি।

এক ভিডিওতে সব দেখতে চাইলে এটা দেখুনঃ https://youtu.be/9i_WVm5LPSc অথবাঃ MailChimp এর অফিশিয়াল চ্যানেল দেখুনঃ https://www.youtube.com/c/MailChimp/videos

00:00 Introduction 02:05 Sign Up 05:55 Homepage 08:20 Audience (Homepage) 10:20 Add Subscriber (Audience) 11:43 Audience Dashboard 11:57 Import Contacts 12:45 Create an Email 16:13 Design Email Content 18:08 Email Theme/Template 26:03 Email Options 27:12 Email Triggers 28:00 Welcome Subscriber Campaign 28:47 Sign Up (Landing Page) 33:08 Sign Up (Integrated Form) 36:12 Website (Mailchimp Subdomain) 37:26 Survey 38:08 Campaign List 38:35 Reports 39:19 Account 40:41 Goodnight LMAO

টিউটরিয়াল ১। সাইন আপ করার নিয়মঃ

এই ভিডিও টা দেখে শুরু করে দিন। https://youtu.be/-ikncXhGnJw
আমার করা ভিডিও নয়। কিন্তু দেখলে জানতে পারবেন। এই ধারাবাহিক টিউটরিয়াল দেখে নিতে পারেন, https://mailchimp.com/help/create-an-account/

টিউটরিয়াল ২ । কিভাবে WORDPRESS সাইটে মেইলচিম্প কনফিগার করবেন?

এই স্টেপ বাই স্টেপ টিউটরিয়াল টা দেখতে পারেনঃ https://mailchimp.com/…/connect-or-disconnect-list…/
ভিডিও দেখতে এইটা দেখতে পারেনঃ https://www.youtube.com/watch?v=jczMGSBthEo
কন্টাক্ট ফর্ম ৭ যারা ব্যাবহার করেন তারা এই ভিডিও দেখতে পারেন ঃ https://www.youtube.com/watch?v=D-ypomWDm5U

টিউটরিয়াল ৩। কিভাবে একটি সাইন আপ ফর্ম ও পপ আপ তৈরি করতে হয়?

এই ভিডিও টি দেখতে পারেনঃ https://www.youtube.com/watch?v=hYMaQmYaSv0
অবশ্যই সাইন আপের পর একটি ওয়েলকাম ইমেইল automation চালু করে দিবেন। সেটা এই ভিডিও দেখে শিখে নিতে পারেনঃ https://www.youtube.com/watch?v=R-J8oXDrYoY

Build your brand, sell online by a Best Email Marketing Service

টিউটরিয়াল ৪। কিভাবে একটি ইমেইল ডিজাইন করতে হয়?

এই ভিডিওটি দেখতে পারেনঃ https://www.youtube.com/watch?v=NvooFty9O7I
With a little bit of practice, you will be able to design more professional emails/newsletters for your business. It is a one-time skill-developing skill so learn it and do it yourself, If you feel like it is not possible for you then hire someone from Fiverr.

টিউটরিয়াল ৫। কিভাবে একটি ইমেইল ব্লাস্ট করতে হয় বা কেম্পেইন সেন্ড করতে হয়?

এই ভিডিওটিদেখতে পারেন:  https://www.youtube.com/watch?v=If6Se6J1cJ4

টিউটরিয়াল ৬। আর.এস.এস ড্রিভেন কাম্পেইন বা auto blog broadcast ইমেইল কিভাবে সেটাপ করতে হয়।

এই ভিডিওটি দেখতে পারেনঃ https://www.youtube.com/watch?v=IkKPFKnQbdg

টিউটরিয়াল ৭। ইমেইল মার্কেটিং রিপোর্ট কিভাবে দেখতে হয়।

আমরা যখন কোন ইমেইল সেন্ড করব তখন আমরা জানতে পারব যে কতগুল সাবস্খাইবার আমাদের ইমেইল ওপেন করেছে, কখন ওপেন করেছে, তাঁদের বাড়ি কোন দেশে, কোন কোন লিংক এ ক্লিক করেছে। ইমেইল পাঠানর সময় আমাদের সাবজেক্ট লাইন দিতে হয় ঠিক যেমনটা সাধারণ ইমেইল এর ক্ষেত্রে আমরা লিখে থাকি। আপনার ওডিয়েন্স যতবেশি ইন্টেরেস্টিং সাব্জেক্ট লাইন পাবে ততবেশি ইমেইল ওপেন করবে। তাই আপনার সাবস্ক্রাইবার এর বা AUDIENCE এর ব্যপারে ভাল একটা ধারনা রাখা জরুরী। প্রকাশ থাকে যে, যেহেতু আপনি আপনার ব্লগ সাইটের জন্য ইমেইল সেন্ড করবেন সেহেতু ধরেই নিচ্ছি যে তারা তাঁদের পছন্দমত কন্টেন্ট ই পেতে যাচ্ছে। তাই প্রত্তেক ক্যম্পেইন সেন্ড করার ২৪ বা ৪৮ ঘণ্টা পর আপনি একটা পূর্ণ রিপোর্ট পেতে পারেন। এই ভিডিওটি আপনি দেখতে পারেঃ https://www.youtube.com/watch?v=W9HMSezr5hM

টিউটরিয়াল ৮ ল্যান্ডিং পেইজ তৈরি করাঃ

কিভাবে মেইলচিম্প এ একটি ল্যান্ডিং পেইজ তৈরি করে সাইন আপ সিস্টেম রেডি করা যায়ঃ এই ভিডিও টি দেখেন ঃ https://youtu.be/wYTq1cSpBAI

টিউটরিয়াল ৯। সিরিজ ইমেইল কিভাবে সেট করতে হয়;

এই ভিডিও দেখে শিখে নিতে পারেন কিভাবে একটি ফ্রী মাইলচিম্প একআউন্ট দিয়ে সিরিজ ইমেইল পাঠাতে হয়। https://youtu.be/2-eQJ24r-JQ

টিউটরিয়াল ১০। ডোমেইন কিভাবে ভেরিফাই করবেন,

যেন আপনার ইমেইল দেখে মনে হবে যে আপনি আপনার সাইট থেকে ইমেইল পাঠিয়েছেন । এই ভিডিওটি দেখে নিন। ঃ https://youtu.be/8cTLrmVxSog এবার আসুন জেনে নেই কিভাবে আমরা আমাদের সাইটে এত সব সুবিধা কাজে লাগাতে পারি। একটি কথা মাথায় রাখতে হবে যে, সাইট অনুযায়ী উপরের সকল সুবিধা হয়ত এক সাথে কাজে নাও লাগতে পারে। প্রত্যেকটা বিষয়ই আপনার বা আপনার সাইটের জন্য দরকারি নাও হতে পারে। তবে জেনে রাখুন, আপনি যদি একেবারেই নতুন হয়ে থাকনে আর ট্রাফিক নিয়ে ঘাটা ঘাটি নাও করতে পারেন তবুও কোন সমস্যা নেই। এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক জেনে নেই জার ফলে ভিজিটর তার নিজের ইমেইল আইডি আপনাকে দেবে এবং আপনার ইমেইল পাবার জন্য মুখিয়ে থাকবে।
=======================================================================
আমরা কক্ষনই কোন দরকার ছাড়া আমাদের কোন কিছুই ইন্টারনেট এ শেয়ার করি না। তাই এটা পরিষ্কার যে ইমেইল আইডি পেতে হলে আমাদের কে কিছু একটা দিতে হবে যেন, সেটা পেতে ভিজিটর তার ইমেইল আইডি দিয়ে দেন। এই কিছু একটাকে লিড ম্যাগনেট বলা হয়ে থাকে। ইমেইল মার্কেটিং এর এটাই শুরুর পদক্ষেপ বলতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগুল একটি PDF বা E-book হয়ে থাকে তবে দরকারমত অন্য যেকোনো কিছুই হতে পারে যেমন কোন ভিডিও, অডিও ইত্যাদি।

লিড ম্যাগনেট এর উদাহরণ।

১। আপনি একটি চেকলিস্ট দিতে পারেন যেই সকল ক্ষেত্রে:
এক্সলুসিভ বায়ারস গাইড ফর (Exclusive buyer’s checklist for “Product Name”. Step by step checklist of“product name” analysis for buyers, any configuration checklist, etc.
২। যে কোন রিপোর্ট: যেমন, ইমেইল মার্কেটিং রিপোর্ট, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি রিপোর্ট, এস ই ও রিপোর্ট, ইউজার ফীড ব্যাক রিপোর্ট, সার্ভে রিপোর্ট ইত্তাদি।
৩। যে কোন প্রিমিয়াম কিছুঃ যে কোন প্রিমিয়াম কিছু অফার করেতে পারেন ফ্রী। যেমন এক মাস ফ্রী ট্রায়াল উইথ প্রিমিয়াম ফিচার, প্রিমিয়াম ক্রিয়েটিভস (ইমেজ, মিউজিক, ভিডিও, টাইম), প্রিমিয়াম আক্সেস টু মেম্বারশীপ। প্রেমিয়াম নিউজ লেটার ইত্যাদি।
যারা জব নিশ নিয়ে কাজ করছেন তারা এলারট সিস্টেম তৈরি করে নিতে পারেন, পেইড বা ফ্রী দুইটাই অফার করতে পারেন। অধিক সংখক পরিমানে সাবক্রাইবার থাকলে বুমিং একটা রেজাল্ট বের করে আনা যেতে পারে। স্বপ্ন বড় হলে আর সঠিকভাবে কাজ করতে পারলে ইন্ডিড মেইক করে ফেলতে পারবেন। নিজের উপর বিশ্বাস করে কাজ করে যান।
৪। কাস্টমার ফীড ব্যাক ডাউলনডঃ আপনার যদি কোন সাইট প্রোডাক্ট রিভিউ নির্ভর হয় তবে আপনাকে পরিসংখ্যান নির্ভর ডাটা কালেক্ট করে একটি দারুন কাস্টমার ফীড ব্যাক রিপোর্ট তৈরি করে নিতে পারেন এবং সেটা অফার করতে পারেন। অবশ্যই সেটা ভ্যালু দিতে পারে এমন হতে হবে। আপনার নিশ অনুযায়ী কি ভাল কাজে দিবে সেটা বার বার অফার করে আপনি বেষ্ট কাজের লীড ম্যাগনেট পেয়ে যাবেন শিওর।
৫। যে কোন ধরনের কুপন অফার করতে পারেনঃ আপনার নিশ অনুযায়ী আপনি কুপন অফার করতে পারেন, যদি থাকে। না থাকলে আর কথা থেকে দিবেন। তাছাড়া, ডিস্কাউন্ট দেবার সুযোগ থাকলে অফার করতে পারেন।
মনে রাখবেন যে, এই সকল অফার কিন্তু ইমেইল করে দিতে হবে না বরং আপনি যেই সাইন আপ ফর্মটা তৈরি করেছেন সেটার উপর লেখা থাকবে বা পপ আপ এর উপর লেখা থাকবে।
৬। এক্সক্লুসিভ নিউজলেটারঃ আপনার সাইটের ভিজিটরদেরকে নিউজ লেটা অফার করতে পারেন। নিউজ লেটার টিতে কি কি থাকতে পারে? খুব রিসেন্ট ইন্ডাস্ত্রি নির্ভর নিউজ, আপনার সাইটের রিসেন্ট পোষ্ট, ইন্ডাশট্রি নির্ভর সেলেব্রইটি নিউজ, ইন্ডাশট্রি নির্ভর ফিউচার নিউজ, ইত্যাদি। লিড ম্যাগ্নেট সম্পর্কে একটা ধারনা পেয়ে গেলেন। এখন কিভাবে একটি লিড ম্যাগনেট সেটাপ করতে হয় সেটা এই (টিউটরিয়াল ৩। কিভাবে একটি সাইন আপ ফর্ম ও পপ আপ তৈরি করতে হয়? এই ভিডিও টি দেখতে পারেনঃ https://www.youtube.com/watch?v=hYMaQmYaSv0 ) দেখে করে নিতে পারেন।
তাছাড়া, ল্যান্ডিং পেজ মাইক করেও লিড ম্যাগ্লেটটি ডেলিভারি দিটে পারেন। ল্যান্ডিং পেইজ মেকিং এখান থেকে দেখে নিতে পারেনঃ টিউটরিয়াল ৮ ল্যান্ডিং পেইজ তৈরি করাঃ কিভাবে মেইলচিম্প এ একটি ল্যান্ডিং পেইজ তৈরি করে সাইন আপ সিস্টেম রেডি করা যায়ঃ এই ভিডিও টি দেখেন ঃ https://youtu.be/wYTq1cSpBAI অনেক কছুই জানা হয়েছে এবার চলুন জানি এই

ইমেল মার্কেটিং ম্যাকানিজমটা কি কি ভাবে কাজে লাগতে পারে, তার বিস্তারিতঃ

১। সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করতে পারা।
যেহেতু আপনার কাছে অগণিত পরিমানে আপনার ব্লগ বা সাইটের ভিজিটরদের ইমেইল আইডি থাকবে সেহেতু আপনি চাইলেই তাঁদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে আইনি ভাবে এটা করার অনুমতি আছে কি না। যদি আপনার ইমেইল সাবস্ক্রাইবার আপনাকে অনুমতি দিয়ে থাকেন তাহলে কোন সমস্যা নেই। আপনার দরকারমত সময়ে আপনি টিউটরিয়াল নং ৫ এ দেখানো উপায়ে একটি ইমেইল ব্লাস্ট করে প্রয়োজন মেটাতে পারেন।
২। তাৎক্ষনিকভাবে আপনার কন্টেন্ট প্রচার করতে পারা।
যখনি একটি নতুন পোষ্ট আপনি লিখছেন এবং সেটা প্রকাশ করছেন আপনার সাইটে ঠিক তখনি টিউটরিয়াল নং ৬ এ দেখানো AUTOMATION এর কারনে আপনার পোষ্ট টি সকল সাবস্ক্রাইবার এর কাছে চলে যাবে এবং অনেক গুলো আই বল আপনার একেবারেই নতুন পোষ্টের উপর পড়বে, ভাল হলে শেয়ার করবে, প্রোডাক্ট কিনবে ইত্যাদি।
৩। মার্কেটিং খরচ কমিয়ে ফেলা।
সাভাবিক ভাবেই আমরা যখন কোন সাইট মেইক করে থাকি তখন সেটা প্রমশনের জন্য একটা বাজেট করে থাকি। টার্গেট করে আমরা মাঝে মাঝে ফেইসবুক বা পি পি সি ক্যাম্পেইন করে থাকি খুব দ্রুত রেজাল্ট পাবার আশায়।
যখনি কোন নির্দিষ্ট পেইজ ভাল করেছে এবং ভাল কনভার্সন নিয়ে এসেছে তখন সেই পেইজটাকে প্রমশন করে ভাল সেল মেইক করেছি। তো কিভাবে জানতে পেরেছি যে কোন পোষ্ট ভাল সেল দিচ্ছে আর কোন পোষ্ট খারাপ কাজ করছে সেটা এই ইমেইল মার্কেটিং এর রিপোর্ট, আমাজন সেল, গুগল আন্যালিটিক্স দেখে বুঝতে পেরেছি। তাই টিউটরিয়াল নং ৭ খুবি গুরুত্বপূর্ণ। অনেকভাল ভাবে ডাটা ড্রিভেন সিদ্ধান্ত আপনাকে অনেক অনেক মারকেটারদের থেকে এগিয়ে রাখবে।
একটা সিজেন এ একজন কাস্টমার একি জিনিস বার বার কিনে না সাধারণত। তাই স্বল্প সময়ে বেশি কনভার্সন এর জন্য পেইড প্রমশনে যেতে হয় অনেক সময়। নতুনদের জন্য হয়ত এই ব্যাপারটা কঠিন কিন্তু শুধু ইমেইল মারকেটিং করেই কিন্তু আপনি সেই অভাবটা পুরন করে ফেলতে পারবেন।
৪। আপনার সাইটে এর ট্রাফিক বৃদ্ধি করা।
যেহেতু আপনার সাইটে মাধ্যমেই আপনার ব্লগের জন্য সাবস্ক্রাইবার আছে সেহেতু যখন ইচ্ছা একটি ইমেইল ব্লাস্ট এর মাধ্যমে সাইটে ট্রাফিক আনতে পারবেন এবং ট্রাফিক বৃদ্ধি করে ফেলতে পারবেন। শুধু সাইটের ট্রাফিক বৃদ্ধি নয় বরং সকল জায়গায় আপনি আপনার সাবস্ক্রাইবারদের ড্রাইভ করতে পারবেন ;
এক্সচলুসিভে উদাহরন: ধরে নিচ্ছি আপনার একটি সাইট এবং একটি ইউটিউব চ্যানেল আছে। কিনবা শুধু সাইট আছে চ্যানেল প্রথমে ছিল না পরে করেছেন।
এমতাবস্তায় আপনার সাইটের সাবস্ক্রাইবার দের কাছে আপনার চ্যালেন কে পরিচয় করিয়ে দিয়ে আপনি ইস্নট্যান্ট অনেক অনেক সাবস্ক্রাইবার ও ভিউ পেয়ে যেতে পারেন। কন্টেন্ট ভাল করতে পারলে, একিভাবে ইউটিউব এর থেকেও লিড ম্যাগনেট এর সাহায্যে আন লিমিটেড লিড জেনারেট করতে পারেন।
ইঊটিউবের লিড জেনারেট করতে শুধু দরকার হবে একটি ল্যান্ডিং পেজ ও সাইন আপ সেটাপ। সেটা তো টিউটরিয়াল নং ৮ দেখে করে নিতে পারেন। তাহলে আর কি লাগে, ইউটিউব কেও ডমিনেট করতে পারবেন এখন থেকে। ইউটিউব নটিফিকেশন দিক আর না দিক, আপনি নিজ উদ্দগে দিয়ে দিতে পারবেন এবং হিউজ ভিউ পেতে কোন সমস্যা থাকবে না।
৫। রিডার লয়্যাল্টি তৈরি করা।
প্রথমেই জেনে নেই যে রিডার লয়্যাল্টি বলতে কি বোঝায় ? আপনার ভিজিটর দিনে দিনে আপনার কন্টেন্ট এর কারনে প্রভাবিত হবেন এবং আপনি যা যা বলবেন তারা সেইভাবে তাঁদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। এই কাজটি যখন হউয়া শুরু হবে তখন আপনি বলতে পারবেন যে আপনার ভিজিটর খুব লয়াল। অর্থাৎ আপনি একটি লয়াল রিডার মেইক করতে পেরেছেন।
প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কখন সেটা করতে পারবেন? মনে রাখতে হবে যে, গুগল এ একজন ইউজার যখন কোন কিছু সার্চ করে তখন তিনি যে কিছু লিখেন সেটা হল কি ওয়ার্ড কিন্তু তার মনে যে চাহিদা থাকে, সেটা হল ইন্টেন্ট, আর আপনি যখন ধারাবাহিকভাবে ও পরিপুরনভাবে তার মনের চাহিদা পুরন করতে থাকবেন এবং বাস্তবিক জিবনে সেটার পজিটিভ রিফ্লেকশন দেখাতে পারবেন তখন সেই ভিজিটর লয়্যাল হতে থাকবে।

তাহলে ইমেইল মারকেটিং কিভাবে এখানে প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে?

নিশ্চয় আপনি আপনার সাইটির অথরিটি বিল্ড করতে চান আর সেটা করার জন্য অবশ্যই ওই নিশ এর প্রায় সকল অংশ কভার করবেন। তাই আপনি ধারাবাহিকভাবে সাইটের সাবস্ক্রাইবারদের সঠিকভাবে এডুকেট করতে পারবেন। যেটা রিডার লয়াল্টি তৈরিতে অনেকদারুন ভুমিকা পারন করে। এছাড়া আপনার ডোমেইন টেইল্ড ইমেইল পেলে তাঁদের কাছে আপনার সাইটের ব্যাপারে অনেক ক্রেডিবিলিটি তৈরি হবে এবং ভিজিটরদের লয়াল হতে সাহায্য করবে।
৬। আপনার বা আপনার সাইটের ব্রান্ডিং করা।
টিউট্রিয়াল নং ১০ দেখে যদি আপনি আপনার ডোমেইন ভেরিফাই করে ফেলেন এবং DKIM রেকর্ড অ্যাক্টিভ (কনফিগার) করে ফেলেন তাহলে স্পাম ফোল্ডার থেকে আপনার ইমেইল যেমন বেচে যাবে ঠিক একি ভাবে আপনার সাইটের ব্র্যান্ডিং হয়ে যাবে।
এছাড়া যেহেতু আপনি আপনার ইমেইল গুলো HTML এর মাধ্যমে লোগো কালার ইত্যাদির মাধ্যমে সেন্ড করবেন সেহেতু সাবস্ক্রাইবার একটি ভিজুয়াল পাবে এবং তাঁদের মনের অবচেতনে আপনার সাইটের ব্রান্ড প্লেসমেন্ট হয়ে যাবে।
একি সাথে আপনার সকল সোশ্যাল মিডিয়া ও আপনি আপনার সাবস্ক্রাইবারদের কাছে পরিচিতি পেয়ে যাবেন। সাভাবিক ভাবেই আপনার সাবস্ক্রাইবারেরা আপনাকে সরাসরি গুগল সার্চ করবে। আর এই ব্র্যান্ড সার্চ, ক্লিক থ্রু রেট অনেক অনেক বাড়ীয়ে দেয় এবং আপনার রাঙ্কিং অনেক গুন বেড়ে যেতে পারে। দিন শেষে ব্র্যান্ডেড সাইটের ভ্যালু সবচেয়ে বেশী।
৭। ইনস্ট্যান্ট সেল মেইক করা। রেভেনিউ বাড়িয়ে নেয়া।
এর একটু ধারনা দিয়েছি খরচ কমানো অংশে। তারপরও আরেকটু আলোচনা না করলেই না। আপনার সাইট হক সেটা ব্লগ বা ইকমারস, যেটাই হক না কেন, ট্রাফিক থাকলেই কিছু না কিছু কনভার্সন হবেই। আর যদি সেটা হাইলি টারগেটেড মোষ্টলি এক্টিভ ট্রাফিক হয় তাহলেতো কথাই নাই।
মাত্র ১৯০০ সাবস্ক্রাইবার নিয়েও খুবি দারুন রেজাল্ট দিয়েছে। তাই আপনার অরগানিক সেল এর পাশাপাশি ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ৪ থেকে ৫ গুন বেশী সেল মেইক করা যায়। মনে রাখতে হবে যে, যত বেশী রেলিভেন্ট কন্টেন্ট হবে ততো বেশী করভারশন বাড়বে।
৮। নিজের ভিজিটরদের নিয়ত্রনে রাখতে পারা।
আপনার ভিজিটরই আপনার সাবস্ক্রাইবার আর তাই তাঁদের আপনি ইচ্ছামত ইমেইল পাঠাতে পারবেন। নতুন নতুন তথ্য দিয়ে একটিভ রাখতে পারবেন। তাঁদের সিদ্ধান্ত গ্রহনে প্রভাব ফেলতে পারবেন। সশ্যাল মিডিয়া শেয়ার। ইউটিউব ভিউ বাড়ানো, কোন কিছু ভাইরাল করে ফেলা, ইন্ডাস্ট্রিতে একটা বাযিং তৈরি করে ফেলতে পারবেন। দিনে দিনে আপনি নিজেই বুঝে যাবেন যে কি কি ভাবে আপনার ওডিয়েন্সকে দারুনভাবে নিয়ন্ত্রন করতে থাকবেন।

Get Best Email Marketing Service That Generate Sales

৯। লিড বিক্রি করে আয় করার সুযোগ
আপনার কাছে যদি কিছু সংখক লিড থাকে, যেগুলো খুবি টারগেটেড তাহলে আপনি দুইভাবে আরও ইঙ্কাম বারিয়ে নিতে পারবেন-শুধু লিড কে কাজে লাগিয়ে।
১) লিগ্যাল ওয়েঃ আমি ধরে নিচ্ছি যে আপনার সাবস্ক্রাইবার আপনাকে বেশ পছন্দ করে এবং তাঁদের উপর আপনার একটি প্রভাব আপনি তৈরি করতে পেরেছেন, কেননা আপনি তাঁদের কাছে একজন INFLUENCER. এখন আপনি চাইলেই সোলো ইমেইল সেন্ড করতে পারেন অন্য কারও প্রডাক্ট বা সার্ভিস অফার করার মধ্যমে ঠিক যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুএন্সার রা ব্র্যান্ড ডিল করে নেন। নিশ বেজড বা রিলেটেড এফিলিয়েট প্রোডাক্ট সেল করেও আপনি ইনকাম বারিয়ে নিতে পারবেন।
একটু সময় নিয়ে সত্যিকার অর্থেই ভাল মানের প্রডাক্ট যদি অফার করেন তাহলে নতুন প্রডক্ট কেনার আগে তারা আপনাকে জিজ্ঞেশ করে কিনবে। তারাই জানতে চাইবে যে , সে যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা ঠিক কিনা। আপনার কাছে কি মনে হয় না যে, এত এত ডলার খরচ করে যারা সাইট কিনে নেয় তারা আসলে করে কি। তারা অনেক কিছু বিচার করেই একটি সাইট ক্রয় করে থাকে।
প্রাথমিকভাবে তারা আরও ভাল রেজাল্ট করতে পারবে মনে হলে সাইট কিনে নেয়, বড় মার্কেটারগন SEO তে আরও ভাল করতে পারেন তাই তারা সাইট কিনে ফেলেন। মনে রাখবেন, শুধু এফিলিয়েট করে যেই সাইট ১০০০ ডলার ইনকাম দিয়ে থাকে সেই একি সাইট ৩০ থেকে ৫০ গুন বেশী ইনকাম দিয়ে থাকে যখন কোন একটি ইকমার্স এর সাথে অ্যাড করা হয়।
ভাবুন যেই প্রোডাক্ট আপনি আমাজন থেকে সেল করে ১০০০ ডলার ইমকাম করছেন সেই প্রোডাক্ট এর মালিক কিন্তু আপনাকে কমিশন দিচ্ছে এবং আমাজনকে কমিশন দিচ্ছে, গুগলকে পে করছে এবং ফাইসবুক কে পে করছে। যখনি তার কাছে একটি অরাগানিক ট্রাফিক সোর্স চলে আসে তখনি তার ইনকাম আকাশে উঠে যায় এবং খরচ খুবি কমে যায়।
২। ইল্লিগ্যাল ওয়েঃ যখন আপনার লিড গুলো সাবস্ক্রাইবারের অনুমতি ছাড়া অন্য কার কাছে বিক্রি করে দেন তখন কিছু ইনকাম আপনি করতে পারবেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে খুবি চওড়া দামে বিক্রি করে দিতে পারবেন। ১০ থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত পার লিড বেচা হতে পারে। ভেবে দেখুন, ২০০০ লিড ১০ ডলার করে বিক্রি করলে কত ডলার হয়, সাইট কিন্তু এখনো বেচেন নাই। এই কাজ টা লোকাল SEO সাইট গুলতে খুব চলে। RANK and RENT সিস্টেম টা অনেক ক্ষেত্রেই এভাবেই কাজ করে থাকে।
১০। পুরো মার্কেটিং পদ্ধতিটাই অটোমেটিক করতে পারা।
ইমেইল মারকেটিং একটি মজার ব্যাপার হল যে, আপনি চাইলে পুর মার্কেটিং সিস্টেম টাকে ফুল্লি আটোমেটিক করে সেট আপ করে রেখে দিতে পারেন। আপনি না চাইলে কোন রকম পরিবর্তন না করেই বছরের পর বছর রেখে দিতে পারেন। কিন্তু একটা নিয়ে মাস্তারিং করতে পারলেই আপনি বস হয়ে যাবেন। ভাল মারকেটারগন মাঝে মাঝেই অপ্টিমাইজ করে নতুন নতুন স্ট্র্যাটেজি অ্যাপলাই করে থাকে।
১১। ট্রাফিক রিটেনশন ঠিক রাখে, এট্রিশন ঠিক রাখে।
আপনার সাইটের ট্রাফিক ঠিক রাখতে ইমেইল মার্কেটিং এর ভুমিকা অনেক অনেক বেশী। খেয়াল করুন, আপনি যখনি কোন না কোন ভাল মানের সাইটে সাইন আপ করেন তখন থেকে নিয়ম করে আপনাকে ইমেইল পাঠাতে থাকে যেমন কোরা, আপনি যেই যেই ক্যাটেগরিতে সাবস্ক্রাইব করেছেন সেই সেই ক্যাটেগরিতে নতুন কিছু হলেই আপনাকে ইমেইল করে, বা প্রতি সবপ্তাহে ২ বার বা ১ বার করে ইমেইল করে। কেন করে তারা ইমেইল, কারন হল তাঁদের ওই ফীড গুলতে এঙ্গেজমেন্ট বারাতে চায় তারা। উত্তরটা খুব সহজ।
এমন কি ইউটিউবে থেকেও আপনার সাবস্ক্রাইব করা চ্যানেল এ নিউ ভিডিও এলেই আপনাকে ইমেইল করে জানিয়ে দেয় যে নতুন ভিডিও এসেছে, একিভাবে ফেইসবুক, টুইটার, রেডিট, পিন্টারেস্ট সহ সকল বড় বড় সাইটগুল এই কাজটা করে আসছে দীর্ঘ দিন ধরে। আর তাঁদের এই কাজটা হয়ে আসছে আটোমেটিকালি।
এর ফলে যেটা হয় যে, তারা তাঁদের পুরনো ও নতুন ট্রাফিক দের এট্রিশন যতটুকু পারে কমিয়ে আনতে চায়।
Attrition কি ? একটু সাইটের ট্রাফিক এর অর্জন ও হারানোর ক্যলকুলেশন টাকে Attrition পারসেন্টেজ হিসেবে বের করা হয়। সাধারন যোগ বিয়োগ করেই ড্যাশ বোর্ড থেকে বের নিতে পারবেন। ইকমার্স সাইটের Abandoned cart recovery তে খুবি দারুন কাজ করে এই ইমেইল মারকেটিং, আমার অনেক অনেক ক্লায়েন্ট শুধু এই আবান্ডন্ড কার্ট রেকভারিও ইমেইল দিয়ে বছরে ২০ হাজার ডলারের বেশী রেকভার করতে পেরেসে। এই ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে তারা নতুন, পুরনো, হারিয়ে ফেলা ট্রাফিক আবার সাইটে ফিরিয়ে আনতে পেরেছে।
১২। সার্ভের মাধ্যমে ডাটা নিয়ে আরো রিচ কনটেন্ট তৈরি করতে পারা।
ওয়ার্ল্ড এর অনেক বড় বড় মারকেটারদের দেখেছি বলতে যে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সার্ভে করে ডাট ড্রিভেন কন্টেন্ট লিখতে। কিন্তু অনেকেই ভুলে যান নিজের একজিস্টিং লিড গুলোর কথা। আপনার লয়্যাল সাবস্ক্রাইবার রাই আপনাকে সবচেয়ে ভাল ইউজার ডাটা দিতে পারে যদি আপনি সেভাবে আপ্প্রচ করতে পারেন।
আমাদের এই গ্রউপ্টার কথা ভেবে দেখুন, এডমিন চাইলেই কিন্তু একটি সারভে রান করতে পারেন। বিভিন্ন ডাটা নিয়ে কাজ করতে পারেন। একি ভাবে আপনিও আপনার কনটেন্ট টাকে ইউনিক এবং অসাধারন করতে পারেন সার্ভের মাধ্যমে। মেইলচিম্পের মাধ্যমে আপনি ফ্রী ফ্রী সার্ভে করে ফেলতে পারেন খুব সহজেই। এই টিউটরিয়াল টা দেখুনঃ https://www.youtube.com/watch?v=OT35rpEpW5Y
১৩। ফাস্ট গুগল ইন্ডেক্সিং করতে পারা।
কম বা বেশী যেমন ই হক না কেন আপনার সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা, আপনার নতুন কনটেন্ট পাব্লিশ হবার সাথে সাথেই ট্রাফিক চলে আসে আর দারুনভাবে গুগল ইউজার সিগনাল পেয়ে যায়। সেই কারনেই খুবি তাড়াতাড়ি আপনার নতুন পোষ্ট বা পেইজটি ইন্ডেক্স হয়ে পড়ে। এইটা একাধিক সাইটের পরীক্ষিত। আপনার পোষ্ট টি যদি শেয়ারেবল হয় তাহলে সুপার ফাস্ট স্পিডে ইন্ডেক্স হবে। মনে রাখতে হবে যে কত দ্রুত ইন্ডেক্স হবে সেটা নির্ভর করবে ইউজার এক্সপেরিএন্স এর উপরে। তাই ভাল কনটেন্ট কদর সব সময়ই বেশী।
আটোমেটিকভাবে আপনার পোষ্ট আপনার সাবস্ক্রাইবার এর কাছে চলে যাবে তাই এইটা নিয়ে ভাবনা চিন্তার কিছুই নেই। তার পরও আপনাদের সাইটের ইন্ডেক্স হবার টাইম লাইন শেয়ার করলে সবারি ভাল ধারনা তৈরি হবে। এমনও হয়েছে যে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুব ব্যাস্ত নিশ এ ইন্ডেক্স হয়েছে। সাইটভেদে, নিশ ভেদে ইন্দেক্সিং কম বা বেশী সময় নিয়ে থাকে। মজার কথা হচ্ছে, যেই সকল সাইটে ৩ থেকে ৪ শত সাবস্ক্রাইবার এমেইল পেয়ে ভিজিট করেছে সাইটে, সেই সকল পোষ্টগুলো ২৪ ঘ্ন্টার কম সময়ে ইন্দেক্সিং হয়েছে।
১৪। আপনার “পক্ষে” রিভিউজ এবং টেশটিমনি সংগ্রহ করতে পারা।
আপনার যদি কোন ইকমার্স সাইট থাকে বা আপনি যদি সার্ভিস সেলার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি আপনার জন্য পজিটিভ রেভিউ ও টেস্টিমনি সংগ্রহ করতে পারবেন। আপনার লিড এর বিহাভিয়ার, ইন্টার‌্যাকশন এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারেবন যে তিনি হ্যাপি নাকি আন হ্যাপি। যেমন ছোট্ট একটি সার্ভে আপনাকে সলিড ভ্যালিড ডাটা দিবে এবং দারুন ভাবে শুধু পজিটিভ কাস্টমার দের কে GMB/FB বা আপনার সাইটে রিভিউ এবং টেস্টিমনিয়াল দিতে অনুরোধ করবেন ও গিফট অফার করেবেন। ব্যাস রেপুটেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ব্র্যান্ড ভালু বারিয়ে ফেল্লেন। আর কি চাই।
১৫। যখন ইচ্ছা তখন শুরু করতে পারা।
আপনার সাইট খুবি নতুন? বা খুবি পুরনো? কোন ব্যাপারনা। এখনি শুরু করে দিন ইমেইল মার্কেটিং করা। মনে রাখবেন যত তারাতারি শুরু করবেন তত তারাতারি ফল পেতে শুরু করবেন। ফুল্ সেটাপ রেডি করতে খুব বেশী হলে ১ ঘণ্টা থেকে দুই ঘন্টা লাগবে। আমি ধরে নিচ্চি যেহেতু একেবারেই কিছুই জানা নেই তাহলে না হয় ২ দিন (৪ ঘণ্টা করে ৮ ঘন্টাই লাগবে)। তাহলে আর দেরি কেন?
১৬। একেবারেই নতুন সাইট প্রমট করতে পারা এবং ট্রাফিক ফ্লও চালু করতে পারা।
যখন আপনার একটি বা একাধিক সাইট থাকবে তখন আপনি আপনার প্রেজেন্ট সাবস্ক্রাইবার দের কাছে আপনার নতুন সাইটটিকে প্রমট করে প্রথম দিন থেকেই ট্রাফিক আনতে শুরু করে দিতে পারবেন। আপনাকে যদি আপনি ভাল্ভাবে ব্র্যান্ড করতে পারেন তাহলে আর আপনাকে পিছে ফিরে তাকাতে হবে না।
আজকে এই গ্রপের এডমিন যদি কোন একটি ইউটিইউব চ্যানেল দেখান আর ভাল বলেন আপনারা কি সেটা খুবি গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করবেন না? অবশ্যই করবেন কেন না আপনারা ট্রাষ্ট করেন যে তারা অবশ্যই আমাদের কল্যাণের জন্য বলেছেন। যত ভাল্ভাবে আপনি আপনার ওডিয়েন্সকে ভালু দিবেন ততই ভাল্ভাবে তারা আপনাকে অনুসরন করবে। তাই ইমেইল মার্কেটিং আপনার নতুন সাইট প্রমশনে দারুন ভাবে কার্যকর।
১৭। অরগানিক ব্যাক লিংক তৈরি হবার সুযোগ সৃষ্টি হউয়া।
এমন অনেকবার হয়েছে যে একি নিশ নিয়ে অন্য রাইটার কাজ করছেন এবং তিনি আমার সাবস্ক্রাইবার ও বটে । খুবি নতুন কন্টেন্ট, খুব ফাস্ট ব্যাক্লিঙ্ক পেয়ে গিয়েছে। লিস্ট যত বড় হয় সুযোগ তত বেশী বেড়ে যায়।
তাই ভিন্ন ভিন্ন পোষ্ট এ ভিন্ন ভিন্ন লিড ম্যগ্নেট দিয়ে দিয়ে আপনাকে টেস্ট করতে হতে পারে। প্রতি ৯০ দিন বা ৩ মাস পর পর সারভে করে করে বর্তমান হাল হাকিকাত জেনে নিবেন। মাঝে মাঝে কিছু কন্টেষ্ট বা কুয়েশ্চন আন্সার করে ডীপ ইন্সাইট তথ্য পেতে চেষ্টা করে দেখবেন।
১৮। আপনার সাইটের বাউন্স রেট কমিয়ে দারুন ইউজার এক্সপেরিয়েন্স দেয়া।
মজার ব্যাপার হল আপনার সাইটের বাউন্স রেট অনেক অংশেই কমে আসবে কারন, যারা ইমেইল মারকেটিং এর মাধ্যমে আপনার সাইট ভিজিট করবেন তাঁদের বেশির ভাগ ই অরগানিক ট্রাফিক এর চেয়ে ৬৭% বেশি সময় নিয়ে আপনার সাইটে অবস্থান করবেন। যেহেতু কনটেন্ট টি একেবারেই তাঁদের সাথে রিলেটেড হয় তাই তাঁদের বেশী সময় অবস্থান করতে দেখা যায়। সারবিকভাবে সাইটের উপরে একটি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে।
অন্যের কোন প্রোডাক্ট বা সাইট প্রমট করার আগে অবশ্যই চেক করে নিবেন যেন আপনার সাবস্ক্রাইবারদের ইন্ট্রারেস্ট রিলেটেড কিছু হয় যেমন। ধরে নিচ্ছি আপনি বাই সাইকেল রিলেটেড একটি লিষট রেডি করেছেন, তো এমন কন্টাক্ট এর মধ্যে আপনি চাইলেই স্পোর্টস শু এর প্রমশন করতে পারেন, বা এনার্জি ড্রিঙ্ক বা সাপ্লিমেন্ট এর প্রমশন ও করতে পারেন, কিন্তু কনভাবেই কি বিউটি প্রোডাক্ট প্রমশন করতে পারেন? পারেন না ।
১৯। নতুন কনটেন্ট আইডিয়া তৈরি হওয়া।
আপনার সান্সক্রাইবারদের থেকে সার্ভে করার মাধ্যমে আপনি নতুন নতুন কনটেন্ট আইডিয়া পাবেন যেগুলো আন্টাচড কনটেন্ট হবে। আর এমন কনটেন্ট এর মাধ্যমে আপনার সাইট বেশ ভাল পারফর্ম করবে। আপনি জানেন হয়ত যে গুগলে প্রতিদিন ২৫% সার্চ একেবারেই নতুন হয় যা আগে কখনই সার্চ করা হইয়নি এমন। তখন গুগল মস্টলি রিলিভেন্ট কনটেন্ট দিয়ে ইউজারকে ফীড করে। কিন্তু যখন আপনি আপনার নিজের ইউজার দের থেকে ইউনিক কিছু কনটেন্ট মেইক করবেন তখন দেখবেন অনেক ক্ষেত্রেই দারুন কিছু রেজাল্ট পাবেন। দিন শেষে আপনার ওডিয়েন্স কিন্তু হ্যাপি হবেন এবং গুগল এল্গরিদমে পজিটিভ প্রভাব ফেলতে পারবেন নিশ্চিত।
২০। আর অজানা অনেক সুবিধা।
আমার জানামতে এই সকল সুবিধাগুলো তুলে ধরলাম। এছাড়াও অনেকে অনেক বড় ইনভেস্টমেন্ট পাবার মত ঘটনাও ঘটতে দেখেছি এই ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে। Homesteading নিয়ে লেখা ব্লগ থেকে কয়েক লাখ ডলার ইনকাম করতে দেখেছি, নিশ সাইট থেকে অথরিটি সাইটে কনভার্ট করে ইউরপ থেকে ইউএস এ আস্তে দেখেছি। মাত্র ১৭০০০ ডলারের সাইটকে ১০ গুন বাড়তে দেখেছি। অবিশ্বাস করার মত নানান ঘটনা আপনারা দেখবেন যখন দিনে দিনে লিস্ট এর সাইজ বারতে থাকবে তখন বেশিরভাগ দিনই হয়ে উঠবে প্রেডিক্টেবল।
ইমেইল মার্কেটিং এর ওয়ার্ক ফ্লও
শুর হবে সুন্দর একটি পরিকল্পনার মধ্যমে অর্থাৎ যাত্রাটা কথায় নিবেন আগেই ঠিক করে ফেলতে হবে।
তারপর দরকারি টুলস সেট আপ করতে হবে>>>> লিড ম্যগনেট তৈরি করে ফেলতে হবে (সময় সময় এটা চেঞ্জ হতে হবে। নির্ভর করবে আপনার সাবস্ক্রাইবারদের ইন্টারেস্ট এর উপর) যেন বেষ্ট পারফরমিং Lead magnet পেয়ে যান আপনি।
তারপর সাক্সেস্ফুল ইমেইল সাইন আপ এর পর ওয়েলকাম ইমেইল দিতে হবে >>>>> তারপর অটোমেটিক ব্লগ পষ্টগুলো তিনি পেতে থাকবেন। খেয়াল রাখবেন ইমেইল গুলো যেন পারসনালাইজড হয় অর্থাৎ শুরুতেই জেন নাম থাকে। পারসনালাইজদ ইমেইল কিভাবে করবেন ইউটিউবে খুজলেই পেয়ে যাবেন। মেইলচিম্প থেকে কাস্টম ক্যাম্পেইন পাঠাবেন এবং রিপরট এর দিকে খেয়াল রাখবেন।

পরিশেষে

ক্ষমা চাই বানানের কারনে। বাংলা লেখা হয়না তাই যেই লেখা ২ ঘন্টায় লেখা যেত সেটা লিখতে প্রায় ১৬ ঘন্টা লেগে গেল। যদিও ধিরে ধিরে লিখেছি। যাহক কিছু যদি আপনাদের উপকারে আসে তাহলেই আমার লেখাটা সার্থক। কাজ করুন আর কোন সমস্যা মনে হলে কমেন্ট ফেলুন আমি চেষ্টা করব বিস্তারিত উত্তর দিতে।
Post Credit – Burhanuddin Imran Bhai

এখনো আপনার মনে কোন প্রশ্ন আছে? অথবা আমাদের থেকে কল পেতে চান?

তাহলে নিচের ফরমটি পুরন করুন, আমরা আপনার সাথে যোগাযোগ করবো, ইংশাআল্লাহ! আপনি আমাদেরকে ০১৭১৬ ৯৮৮ ৯৫৩ / ০১৯১২ ৯৬৬ ৪৪৮ এই নাম্বারে কল করতে পারেন, অথবা ইমেল করতে পারেন hi@mahbubosmane.com এই ইমেলে, আমরা আপনাকে কোনভাবে সাহায্য করতে পারলে খুশি হব, ধন্যবাদ ।


    মাহবুবওসমানী.কম এর সার্ভিস সমূহঃ

     

    Get Best Email Marketing Service That Generate Sales

    Leave a Comment

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

    This div height required for enabling the sticky sidebar
    Ad Clicks : Ad Views : Ad Clicks : Ad Views : Ad Clicks : Ad Views : Ad Clicks : Ad Views : Ad Clicks : Ad Views : Ad Clicks : Ad Views :