img

ইন্টারনাল লিঙ্কিং ও আউটবাউন্ড লিঙ্কিং

/
/
/
128 Views

ইন্টারনাল লিঙ্কিং

Internal links are links that go from one page on a domain to a different page on the same domain. They are commonly used in the main navigation.

These type of links are useful for three reasons:

  1. They allow users to navigate a website.
  2. They help establish an information hierarchy for the given website.
  3. They help spread link equity (ranking power) around websites.
  4. Defines the architecture and hierarchy of a website
  5. Distributes page authority and ranking power throughout the site

What are the external links?

External Links are hyperlinks that point at (target) any domain other than the domain the link exists on (source). In layman’s terms, if another website links to you, this is considered an external link to your site. Similarly, if you link out to another website, this is also considered an external link.

Code Sample

<a href="http://www.external-domain.com/">Link Anchor Text</a>

ইন্টারনাল লিংক কি, কেন ইন্টারনাল লিংক করবেন ও কিভাবে করে আপনি এসইও ফ্রেন্ডলি ইন্টারনাল লিংক করবেন। শুরু করা যাক আজকের আলোচনাঃ

ইন্টারনাল লিংকিং কি?

internal বাংলা মানে হল  অভ্যন্তরীণ ,আর লিংকিং মানে সংযোগ । তার মানে দাঁড়াচ্ছে যে ইন্টারনাল লিংক মানে অভ্যন্তরীণ সংযোগ । যাকে আমরা এইভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারি এসইও পাসপেকটিভে, ১ টি ডোমেইনের ভিতরের কোন লিংক করি এবং সেই লিংক যদি কেউ ক্লিক করে এবং তারপর সেম ডোমাইনের আর একটি ইউআরএল ওপেন তাহলে  তাকে আমরা ইন্টারনাল লিংকিং বলে থাকি ।  সেইটা ব্লগ পোস্ট থেকে হোক, ন্যাভবার থেকে হোক বা যেথায় থেকে হোক না কেন। আশা করছি, ইন্টারনাল লিংকিং নিয়ে একটি ধারনা তৈরি হয়েছে

কেন করবেন ইন্টারনাল লিংকিং?

কেন করবেন ইন্টারনাল লিংকিং তা আমি কিছু পয়েন্ট আকারে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি ।

  • আপনার ওয়েবসাইটের ন্যাভিগেসনে সহযোগিতা করার জন্য।
  • আপনার ওয়েবসাইটের সকল ইউআরএলের সমান ভাবে অথোরিটি বাড়ানোর জন্য।
  • তাড়াতাড়ি ইনডেক্সের জন্য, নিউ পোস্টের ক্ষেত্রে এটা কার্যকরী ।
  • আপনার ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট কমানোর জন্য।
  • আপনার ভিজিটরের কাছে আপনার একটা গ্রহনযোগ্যতা তৈরি করার জন্য।

 

কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি ইন্টার্নাল লিংকিং করবেন?

আমরা ইতিমধ্যে জেনে গেছি ইন্টারনাল লিংকিং কি ও কেন করবেন তার মহত্ত্ব । এবার আমরা আসি, কিভাবে আপনি এসইও ফ্রেন্ডলি ইন্টারনাল লিংকিং করবেন ।

  • প্রথমে আপনার ওয়েবসাইটে যথেষ্ট পরিমান কনটেন্ট থাকতে হবে। সেই কনটেন্টের মাঝে যেইখানে লিংকিং করতে চান তার রিলিভেন্সি থাকতে হবে যেমন আমি বললাম যে “ ফ্যান আমাদের কে বাতাস দিয়ে থাকে বিদ্যুতের মাধ্যমে ” এখানে আমি যদি  লিংকিং করি ফ্যানের উপর আমার ওয়েবসাইটের লাইটের একটা পোস্ট তাহলে তার রিলিভেন্সি হল না কিন্তু আমি ফ্যান এর উপর লিখা আর একটা পোস্টের জন্য লিংক করতে পারি ।
  • সবাই চায় তার হোম কে ইন্টারনাল লিংক করতে অনেক বেশি কিন্তু এটা বেশি মাত্রায় করা ঠিক নয়। এছাড়া সার্ভিস ওয়েবসাইট না হলে আপনার কন্টাক পেজে কিংবা এবাউট পেজের জন্য ইন্টারনাল লিংক না করাই ভাল কারন এতে আপনার ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যাবে ।
  • চেষ্টা করুন আপনার কিওয়ার্ড টাকে অ্যাংকর টেক্সটের মাঝে রাখতে ন্যাচারালি । জোর করে ঢুকি লাভবান হবেন না।
  • ঐদিন একটা ওয়েবসাইট অডিট করবার সময় দেখলাম সে ছবির ভিতরে লিংক বসিয়ে ইন্টারনাল লিংক করেছে, এই ব্যাপার টি পরিহার করুন, কারন গুগল বট বাদে খুব কম লোকেই ঐ লিংকে ক্লিক করবে ।
  • মাত্রাতিরিক্ত ইন্টারনাল লিংক করবেন না, এতে আপনার পাঠক কনফিউস হয়ে যাবে, এটা নিয়ে অনেকে দ্বিমত পোষণ করতে পারেন বলতে পারেন যে উইকিপিডিয়া করে, মনে রাখবেন আপনি উইকি বা ফেসবুক না।
  • চেষ্টা করুন একটা ওয়ার্ডের উপর ইন্টারনাল লিংক করা থেকে বিরত থাকতে কারন ঐ লিংকে ক্লিক করার রেশিও কম থাকে । তাই পারলে একাধিক ওয়ার্ডকে নিয়ে ইন্টারনাল লিংক করুন । যেমনঃ আমি যদি খালি ইন্টারনাল ওয়ার্ডে ইন্টারনাল লিংকিং করি তাহলে যে ক্লিক পরবে তারচেয়ে বেশি ক্লিক পরবে ইন্টারনাল লিংক নামক ওয়ার্ডের উপর লিংকিং করলে, কারন ভিজিটর একটা ধারনা পেল যে  সে ক্লিক করলে কই যাবে ।

এবার আসি এইযে লিংকিং আমরা করলাম তা কিভাবে দেয়াটা এসইও ফ্রেন্ডলি, আমরা সকল ইন্টার্নাল লিংককে ডুফলো করে দিবো, যাতে করে সার্চ ইঞ্জিনের ক্রাউলার ক্রাউল করতে পারে।

ইনবাউন্ড লিংকিং কিভাবে দিবেন?

আমরা  আগেই যদি সংজ্ঞা ফলো করি তাহলে আপনি উত্তর কি হবে, জেনে গেছে্‌ তারপর আমি কি করি তা উত্তরের সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন। আমি সব ইনবাউন্ড লিংক কে ডুফলো লিংক দিয়ে থাকি, কারন যদি একটু বিশ্লেষণ করি তার সারসংক্ষেপ অনেকটা এমন, আপনার নিজের পকেটের টাকা আপনার ছেলেকে দিলেন তারমানে আপনার টাকা আপনার পকেট থেকে  কমে গেলেও সেই টাকা টা আপনার নিজের ঘরেই রইলো। এটা যদি আপনার ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে ভাবেন আপনি যদি ইনবাউন্ড লিংক দেন এক পোস্ট থেকে আর এক পোস্টে যার ফলে আপনার লিংক জুস ঐ পোস্ট থেকে অপর পোস্টে গেল কিন্তু আপনার লিংক জুস আপনারই রইলো পরোক্ষভাবে। ইনবাউন্ড লিংক  করলে খুব তাড়াতাড়ি পোস্ট ইনডেক্স হয়ে থাকে যদি আপনি ডুফলো লিংক দিয়ে থাকেন, তাই সবসময় ইনবাউন্ড লিংক  ডুফলো লিংক করে দেয়া উচিত ।

ইনবাউন্ড লিংক তৈরি করার সময় যা যা মনে রাখা উচিত!

গেস্ট পোস্টিংঃ গেস্ট পোস্টিং আপনিও নামটা শুনেছেন কিন্তু কোনোদিন ট্রাই করেননি এটা ব্যাবহার করে ব্যাকলিংক নেবার তাহলে বলি গেস্ট পোস্টিং একটি মোক্ষম উপায় Do Follow বা ইনবাউন্ড লিংক পাবার যেখানে আপনি আপনার লেখা একটি কোয়ালিটি Article অন্যের বা হাই কোয়ালিটি ব্লগে পাবলিশ করছেন তার বিনিময়ে আপনি একটি Do Follow ইনবাউন্ড লিংক পাচ্ছেন।

ইউনিক রাইটিং কনটেন্ট: আমি বা আপনি কখনোই বোরিং কনটেন্ট পড়তে পছন্দ করিনা সঙ্গে গুগলও না, বিশেষ করে কপি পেস্ট কনটেন্ট আর যদি আপনি কপি পেস্ট কনটেন্ট ব্যাবহার করে থাকেন তাহলে ভুলে যান, র‍্যাংক করানোর কথা বা ইনবাউন্ড লিংক পাবার পরিবর্তে আপনার পেনাল্টি হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে তাই চেস্টা করুন ইউনিক কনটেন্ট লেখার যাতে আপনি সহজে ইনবাউন্ড লিংক পান অন্য হাইকোয়ালিটি ব্লগ থেকে।

 

আপনার নিজের নলেজ শেয়ার করুনঃ নলেজ ছাড়ালেই নলেজ বাড়ে এটা আপনিও জানেন আমিও জানি কিন্তু কিন্তু খুব ব্লগারাই এটা করেন, নলেজ শেয়ার করতে চান না, এটা কিভাবে আপনাকে সহজ করতে পারে ব্যাকলিংক নিতে, আসুন আপনাকে একটু বুঝিয়ে বলি, ধরুন আপনি আপনার নিশের Q&A প্লাটফর্মে কিছুর প্রশ্ন বা উত্তর দিচ্ছেন সেখানে নিজের অভিজ্ঞতা দেখানোর চেষ্টা করুন, ইউনিক ভাবে লেখার চেস্টা করুন।

আবার অনেক সময় অনেক ফেইসবুক গ্রুপ আছে, যেখানে অনেক সময় Q&Aকম্পিটিসন হয়ে থাক্‌ সেখানে পার্টিসিপেট করুন, আপনার নলেজ এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে কথা বলুন এমন না অন্যের নলেজ বা জ্ঞান কপি করে, এগুলি যদি ঠিক ভাবে করতে থাকেন তাহলে আপনার অথরিটি এবং ট্রাস্ট তৈরি করবে আপনার নিশের মধ্যে যেটা আপনাকে ইনবাউন্ড লিংক পেতে সাহায্য করবে অনেকগুন্ বেশি।

প্রমোট, প্রমোট , প্রমোট করুন লিংক নেবার জন্যঃ শুধু  রিচার্স কনটেন্ট পাবলিশ করা যথেষ্ট নয় VISITOR পাবার জন্য, টার্গেটেড ব্যাকলিংক পাবার জন্য, আপনাকে যেটা শিখতে হবে, তা হচ্ছে কনটেন্ট গুলি ঠিক করে মার্কেটে প্রমোশন করতে হবে, ৮০/২০ রুলস জানতে হবে, যাতে অনেক অনেক শেয়ার আসে এবং আপনার আসল লক্ষ্য পূরণ হয়, সেটা হতে পারে লিংক পাওয়া বা ট্রাফিক পাওয়া।

আশা করছি এতক্ষণে আপনার বুঝে গিয়েছেন কিভাবে করে এসইও ফ্রেন্ডলি ইন্টারনাল লিংক করা যায়, তারপরে যদি কোন প্রশ্ন থাকে কমেন্ট সেকশনে করতে পারেন, আমি উত্তর দিবো, ইংশাআল্লাহ্‌।

আউটবাউন্ড লিঙ্কিং/External Link Defined

An external link is a link that points at an external domain.

    1. Top SEOs believe that external links are the most important source of ranking power.
    2. External links pass link equity (ranking power) differently than internal links because the search engines consider them as third-party votes.
    3. Top SEOs don’t believe that the “title” link attribute is used for rankings purposes.

আউটবাউন্ড ও ইনবাউন্ড লিংক কি, আউটবাউন্ড ও ইনবাউন্ড লিংক কি ডুফলো নাকি নোফলো করবেন ? চলুন তাহলে মুল আলোচনায় যাওয়া যাক ।

আউটবাউন্ড ও ইনবাউন্ড মানে কি?

আউটবাউন্ড ও ইনবাউন্ড এর মানে কি ? আউটবাউন্ড (outbound)  মানে হচ্ছে  বহির্গামী, বিদেশগামি ইত্যাদি । যদি আমরা এটার ইংলিশ প্রতি শব্দ দেখি তাহলে out and away,  out and out ইত্যাদি ।

ইনবাউন্ড (Inbound) মানে হচ্ছে নিজের ভিতর আবদ্ধ, নিজস্ব ইত্যাদি । যদি আমরা এটার ইংলিশ প্রতি শব্দ দেখি তাহলে  inward boun । বলে রাখা ভাল যে দুইটা ওয়ার্ডই adjective । এবার আসুন, আমরা এই দুই ওয়ার্ড আউটবাউন্ড ও ইনবাউন্ড লিংক কি জানি ।

 

আউটবাউন্ড ও ইনবাউন্ড লিংকিং কি?

একটু আগে আমরা জেনেছি আউটবাউন্ড ও ইনবাউন্ড  কি অর্থ করে থাকে এবার আমরা তার আলোকে যদি সংজ্ঞা দাড় করি তাহলে আউটবাউন্ড লিংকের মানে দ্বারায় যেই লিংক টা আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর বাহিরে দিচ্ছেন কেউ কে রিকম্যান্ড করে ইহাই হচ্ছে আউটবাউন্ড লিংক, একে আমরা সবচেয়ে বেশি এক্সটারনাল লিংক বলে থাকি ।

যদি আমি একটু উদাহরণ দিয়ে বলি তাহলে এমন ভাবে বলতে পারি আপনি একটা পোস্ট করলেন মাউস নিয়ে, সেই পোস্টের এক পর্যায় এসে বললেন মাউসের ইতিহাস জানতে চাইলে আপনি উইকিপিডিয়ার এই পেজটি ভিজিট করুন বলে  তার ঐ পেজকে লিংক করে দিলেন, এই যে আপনি  উইকিপিডিয়াকে  লিংক টা দিলেন ইহাই আউটবাউন্ড লিংক।

এবার আমরা যদি ইনবাউন্ড লিংকের সংজ্ঞা দাড় করাই, তা হচ্ছে, যেই লিংক টা আপনি আপনার ডোমেইনের এক পোস্ট থেকে আর সেম ডোমাইনের অন্য একটা পোস্ট কে রিকম্যান্ড করেন ইহাই হচ্ছে ইনবাউন্ড লিংক, একে আমরা সবচেয়ে বেশি ইনটারনাল লিংক বলে থাকি ।

যদি আমি একটু উদাহরণ দিয়ে বলি, তাহলে এমন ভাবে বলতে পারি,  আপনি একটা পোস্ট করলেন মাউস নিয়ে, সেই পোস্টের এক পর্যায় এসে বললেন মাউসের কিনার আগে কি কি দেখে কিনবেন জানতে চাইলে আপনি এই পেজটি ভিজিট করুন বলে  আপনার  ওয়েবসাইটের বায়িং গাইডের পেইজকে লিংক করে দিলেন, এই যে লিংক করলেন ইহাই হচ্ছে ইনবাউন্ড লিংক ।

আউটবাউন্ড ও ইনবাউন্ড লিংক কি ডুফলো নাকি নোফলো করবেন?

আউটবাউন্ড লিংক নোফলো করে দেয়াই বেটার, কারন তাতে জুস কম পাস হবে, আর ইনবাউন্ড লিংক সব সময় ডুফলো করে দিবেন, কারন নিজের সাইটে জুস পাস হলে কোন প্রবলেম নেই।

আউটবাউন্ড  লিংকিং কিভাবে করবেন?

আসলে এখন আমরা যেই পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করবো সেইটা নিয়ে নানা মুনির নানা মত রয়েছে তবে আমার মতে যা গুড প্রাকটিস তাই আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চেষ্টা করবো ।

প্রথমে বলি যদি আপনি সাইট করছেন মাউস নিয়ে তারপর মাউস নিয়ে অন্য কার কোন পোস্টকে লিংক  করলে আপনাকে আমার মতে নোফলো লিংক দেয়া উচিত কারন না হয় সে আপনার কাছ থেকে একটা ডুফলো লিংক পেলে সাথে সাথে আপনার ওয়েবসাইট এর কিছু লিংক জুসও পাবে। যার ফলে তার রাঙ্ক করাটা আরো একটু সহজ হবে ও তার রাঙ্কিং দীর্ঘস্থায়ী হবে, এবার আপনি আপনার শত্রুকে কি দিবেন তার সিদ্ধান্ত আপনি নিজেই নিন ।

এবার আসি আপনি সাইট করেছেন ধরুন মাউস নিয়ে আপনার পোস্টের এক পর্যায় আপনি পিসির কিবোর্ড নিয়ে কিছু কথা লিখছেন , ভিজিটরের মনে কিবোর্ড নিয়ে কোন প্রশ্ন জাগতে পারে, যার উত্তর  আপনি দেন নি তার উত্তর পেতে আপনি একটা ওয়েবসাইটের পোস্টকে লিংক দিলেন এইক্ষেত্রে আপনি কি দিবেন ডুফলো নাকি নোফলো ? আমার মতে এটা আপনি চাইলে ডুফলো দিতে পারেন যার ফলে কিবোর্ড নিয়ে সাইটের মালিকের সাথে ভালো সম্পর্ক সৃষ্টি হবে, পরবর্তী সময় সে মাউস নিয়ে আপনাকে অন্যকোন পোস্টে রিকম্যান্ড করতে পারে বা ব্যাকলিংক দিতে পারে । যেইটা আপনার ওয়েবসাইটের ভ্যালু বাড়িয়ে দিবে।

এবার আসি আমাদের সবচেয়ে কমন প্রশ্ন যেইটা গ্রুপগুলিতে আমরা দেখি ভাই উইকি, রেফারেন্স ওয়েবসাইট যারা কোন অ্যাফিলিয়েট করে না তাদের কি দিব, আমার মতে আপনি এদের ডুফলো লিংক দিবেন। কারন এতে আপনার পাঠকের কাছে ও সার্চ ইঞ্জিনের কাছে বিশ্বাস যোগ্যতা বাড়বে। বলে রাখি আপনি যদি চান আপনার কষ্টার্জিত লিংক জুস কাউকে দিবেন না তাহলে আপনি তাকেও কি দিবেন? ঠিক ধরেছেন! নিশ্চই নোফলো লিংক দিবেন ।

আমরা যারা কোন অ্যাডস ইউস করি সেইটা অ্যামাজন, ইবে, আলিবাবা, অ্যাডসেন্স যাই হোক না কেন সেইটা হবে নোফলো লিংক, এবার আসি ইনবাউন্ড লিংক কি দিবেন তাই নিয়ে ।

আউটবাউন্ড তৈরি করার সময় কিছু জিনিস মনে রাখতে হবে।

লিংক এক্সচেঞ্জ করবেন নাঃ Outbound লিংক নেবার সময় লিংক এক্সচেঞ্জ করবেন না, যদি গুগলের কাছে ধরা খান তাহলে আপনি পেনাল্টি পর্যন্ত হতে পারে যেখানে আপনার সাইটের র‍্যাঙ্ক ডাউন হতে পারে এবং এটা থেকে বাঁচতে অনেক সময় লাগতে পারে।

আমি জানি আপনি বলবেন এটা সব থেকে সহজ উপায় ব্যাকলিংক নেবার কারন আপনি অন্য জনকে লিংক দিচ্ছেন আবার সে আপনাকে লিংক দিচ্ছে কিন্তু আপনি জানেন না তাদের অথরিটি কতটা এবং যদি কম থাকে তাহলে আপনার ওয়েবসাইট অথরিটির উপর প্রভাব তৈরি করবে।

সবথেকে রিলেভেন্ট বা আপনার নিশের সাইটে লিংক করুনঃ অনেক বারই এটা হয়ে থাকে রিলেভেন্ট সাইট যুক্ত করার সময় আমরা না দেখেই লিংক ব্যাক করে দিয়ে থাকি প্রচুর হাই অথরিটির সাইট বা ব্লগকে কোনো ফলের আশা না করেই কিন্তু এখানে আপনাকে লিংক করতে হবে রিলেভেন্ট না আপনার নিশের সাইট বা ব্লগকে।

ধরুন আপনি ব্লগিং করছেন “হেলথ নিশের” মধ্যে আপনি কনটেন্ট লেখার সময় দেখলেন একটি রিলেভেন্ট Outbound লিংক দেবার প্রয়োজন তাই আপনি কোনো কিছু না ভেবেই সার্চ ইঞ্জিনে একটু ঘেঁটেই প্রথম পেজের নম্বর ১ বা ২ নম্বর একটি সাইট পেলেন যেটা আপনার নিশে খুব পপুলার এবং হেলথের সমস্ত কিছু বিষয় কভার করেন এবং যার DA-৯১ আপনি এটাকেই লিংক ব্যাক করে দিলেন।
 
কিন্তু আমি ওই জায়গায় থাকলে একটু ব্যাতিক্রম করতাম, আমি লিংক করতাম সবসময় ২ নম্বর বা ৩ নম্বর পেজের কোনো সিঙ্গল অথর হেলথ ব্লগারকে এবং লিংক করার সঙ্গেই তাকে একটি মেইল করে দিতাম যদি সে এটাই একটু ইনবাউন্ড লিংক বা লিংক ব্যাক দেয় এবং ৯৫% সম্বভনা থাকে লিংকঃ দেবার কারণ তারাও লিংকের অভাবে ২ বা ৩ নম্বর পেজে র‍্যাংক করছে যদি একটি Do Follow Outbound লিংক পায় তাতেও তাদের একটু হলেও র‍্যাংক পুশ হবে সঙ্গে আপনারও আর যদি আপনি প্রথম সারির কোনো সাইট বা ব্লগ কে Outbound লিংক দেন তাহলে তারা আপনাকে জানতেই পারবে না বা যদিও জানেও তারা লিংক ব্যাক করবে না কারণ এমনিতেই প্রথম পেজের প্রথম বা দৃতীয় পজিশনে র‍্যাংক করছে তারা।

লিংক বিক্রি করবেন নাঃ লিংক বিক্রি খুব খারাপ একটি জিনিস, এটা আমিও দেখেছি মানুষ লিংক নেবার জন্য অনেক সময় পয়সা পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত হয়ে যায়, কখনো পয়সা ছাড়াও গিফট, বিভিন্ন পেইড প্যাক এবং আরো বিভিন্ন ধরণের জিনিস দিয়ে থাকে।

কিন্তু এই সব জিনিস একসেপ্টেড নয় সার্চ ইঞ্জিনের দৃষ্টিতে, আর সার্চ ইঞ্জিন যদি এটা বুজতে পার্‌ তাহলে আপনি এবং যে লিংক নিচ্ছেন দুজনেই সাংঘাতিক ধরণের পেনাল্টি খেতে পারেন যেটার সময় সীমা ২ কিংবা ৩ বছর।

আশা করছি আজকে আপনাদের সকল প্রশ্ন আউটবাউন্ড ও ইনবাউন্ড লিংক নিয়ে দূর করতে পেরেছি, যদি আরো কোন প্রশ্ন জাগে, নিচের কমেন্টবক্সে করে ফেলুন, ইংশাল্লাহ, আমি জানলে উত্তর দিতে চেষ্টা করবো।

এখনো আপনার মনে কোন প্রশ্ন আছে? অথবা আমাদের থেকে কল পেতে চান?

তাহলে নিচের ফরমটি পুরন করুন, আমরা আপনার সাথে যোগাযোগ করবো, ইংশাআল্লাহ! আপনি আমাদেরকে ০১৭১৬ ৯৮৮ ৯৫৩ / ০১৯১২ ৯৬৬ ৪৪৮ এই নাম্বারে কল করতে পারেন, অথবা ইমেল করতে পারেন hi@mahbubosmane.com এই ইমেলে, আমরা আপনাকে কোনভাবে সাহায্য করতে পারলে খুশি হব, ধন্যবাদ ।


মাহবুবওসমানী.কম এর সার্ভিস সমূহঃ

 

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

It is main inner container footer text