বিশেষ করে প্রতিবার ঈদে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনার পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। সারা দেশে সরকারী-বেসরকারী মেডিকেলগুলোর রিপোর্ট শুনলে রীতিমত গাঁ শিউরে ওঠে। এসব দূর্ঘটনার পিছনে অন্যতম কারণ অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক এবং অপরিণত চালকদের আবির্ভাব। তারা নিজেরা যেমন ক্ষতির সম্মুখীন হয়, ঠিক তেমনি তাদের কারণে অনেকেই হয় ক্ষতিগ্রস্থ। শুধু তাই নয়, ঈদের আমাজে রাস্তা-ঘাটে সব যানবাহন খুব দিশেহারা ভাবে চলাচল করে। সবাই যেন খুব উত্তেজিত আর আনন্দে আত্মহারা। এটাই আরেকটি অন্যতম কারণ এই সব দূর্ঘটনার।
বাইকারদের উচিত ছোট ভাই, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন ইত্যাদি কারো হাতে মোটরসাইকেল তুলে দেবার আগে হাজার বার চিন্তা করা এবং না দেয়াই উত্তম।
এই সব মূহুর্তে বাইক রাইডের সময় অধিক উত্তেজনা পরিহার করা এবং বাড়তি সচেতন থাকা। দূর্ঘটনা শুধু আপনার ভূলের কারণে নয় বরং অন্যের গাফিলতির কারণেও হতে পারে।
সদ্য একটি দূর্ঘটনা বাইকারদের মনে বেশ দাগ কেটেছে। আমি ফাহিম আরিয়ান নামের সেই বাইকার ভাইটির কথা বলছি। রানার নাইট রাইডার বাইক চালাতো, কমিউনিটিতে বেশ এক্টিভ ছিল। দূর্ঘটনায় তার যেদিন মৃত্যু হয়, সেদিনও হেলমেট এবং সেফটি গিয়ার পড়া ছিল। আল্লাহ তাকে বেহেশত নসীব করুন। এই বিষয়টি নিয়ে কিছু বলার নেই আসলে। আর বলাও উচিত নয়।
আল্লাহ যেখানে যার মৃত্যু লিখে রেখেছেন হবে। কিন্তু তাকদীরে বিশ্বাসের সাথে এর মূল বিষয়বস্তুটিও আমাদের জানা উচিত।
একদিন নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখলেন যে এক বেদুইন তার উটকে না বেঁধেই চলে যাচ্ছে। তিনি বেদুইনকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি তোমার উটকে কেন বেঁধে রাখলে না?”
বেদুইন উত্তর দিলঃ “আমি আল্লাহর উপর ভরসা করেছি।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “আগে উটের রশি বাঁধ, তারপর আল্লাহর উপর ভরসা কর।” (তিরমিযি)
সুতরাং, এটা থেকেই বোঝা যায়। সেফটি ফার্স্ট এবং সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। সচেতনতা আর আল্লাহ’র উপর ভরসাই পারে আমাদের এমন অনাকাংখিত দূর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে।
ভাল মানের হেলমেট, প্রোপার সেফটি গিয়ারের কোন বিকল্প নেই। সাথে আমি যে বাইকটি নিয়ে হাইওয়ে রাইড করব বলে ভাবছি তার ব্রেকিং কতটা ভাল মানের তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এবিএস এর কোন বিকল্প নেই। বাংলাদেশ সরকারের উচিত অন্যান্য অনেক দেশের মত ১৫০ সিসি’র বাইকে এবিএস বাধ্যতামূলক করে দেয়া। বাংলাদেশে এবিএস খুব কার্যকরী হবে বলে আমরা মনে করি।
এবার আসি কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা আর আমার চোখে দেখা বাইকারদের কিছু বেপরয়া আচরণ।
• কিছু মোটরসাইকেল চালক দেখি যারা ক্লোজ অভারটেকিং খুব পছন্দ করে। কেন ভাই! এই সামান্য কয়েক সেকেন্ড নিজেকে এগিয়ে রেখে কি এমন লাভ। আর এই ক্লোজ অভারটেকিং যদি কোন কারণে সাকসেসফুলী না হয়। তাহলে রাইডারের মৃত্যু প্রায় অনিবার্য। কারণ এই সব দূর্ঘটনা একেবারে মুখোমুখি সংঘর্ষে হয়ে থাকে।
সর্বোপরি একটা কথাই বলব, দুই চাকা যেমন একটি স্বাধীন যান এবং আবেগের সাথে জড়িত, ঠিক তেমনি জীবনের জন্য হুমকি যদি না আমরা এটিকে সঠিকভাবে ব্যবহার না করি।
নিজেকে বেশি স্মার্ট সাজাতে বা গতি দানব হিসেবে আখ্যায়িত করতে নিজেকে এবং অন্যকে মৃত্যু মুখে ঠেলে দিবেন না।
মনে রাখবেন, বেঁচে থাকলেই আপনি লিজেন্ড, মরে গেলেই তো সব শেষ।
সব সময় নিয়ন্ত্রিত গতিতে বাইক চালাবেন আর এতেই জীবনের আনন্দ খুঁজে নেবেন।
~ লিভ ফ্রী, রাইড সেইফ /. Dewan Sohan ভাইয়ের পোস্ট থেকে!!
তাহলে নিচের ফরমটি পুরন করুন, আমরা আপনার সাথে যোগাযোগ করবো, ইংশাআল্লাহ! আপনি আমাদেরকে ০১৭১৬ ৯৮৮ ৯৫৩ / ০১৯১২ ৯৬৬ ৪৪৮ এই নাম্বারে কল করতে পারেন, অথবা ইমেল করতে পারেন hi@mahbubosmane.com এই ইমেলে, আমরা আপনাকে কোনভাবে সাহায্য করতে পারলে খুশি হব, ধন্যবাদ ।
BYD: এক অদ্ভুত মেগা-সাম্রাজ্যের গল্প! খনি থেকে জাহাজ—যেভাবে একটি গাড়ি কোম্পানি বদলে দিচ্ছে বৈশ্বিক উৎপাদনের…
High-Value Hard Skills for Computer Experts AI যুগে Computer Expert-দের যে Skills শিখলে Future আরও…
সফলতার গোপন ভাষা: যে ৫টি বাক্য আপনার ভাগ্য আটকে রেখেছে The secret language of success…
৩৩ বছর বয়সে আমার ৩৩টা নির্মম কিন্তু বাস্তব শিক্ষা ৩৩ বছরে বুঝেছি — লাইফ…
সার্ভিস লাইসেন্স দিয়ে সৌদি আরবে বৈধ ব্যবসার সুবর্ণ সুযোগ – সম্পূর্ণ গাইড ২০২৬ সৌদি আরব…
Jannat Ambulance Service Google Ads Case Study: মাত্র $160 বাজেটে ১৫ দিনে 841 ক্লিক…