Mobile Repairing Course

Mobile Servicing Course

মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশের মোবাইল ফোন সংস্থা যারা মোবাইল ফোন সার্ভিসিং, প্রশিক্ষণ ও ফ্লাশফাইল নিয়ে সম্পূর্ণরূপে কাজ করে। আমরা মোবাইল ফোন খাতের জন্য নতুন সার্ভিসিং ইঞ্জিনিয়ার তৈরী করার মাধ্যমে বেকার যুব সমাজকে স্বাবলম্বী এবং আত্মকর্মী রূপে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আন্তরিক ভাবে কাজ করছি। আমরা বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতীয় এবং বহুজাতিক মোবাইল ফোন কোম্পানির প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী দক্ষ মোবাইল ফোন সার্ভিসিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করছি। মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র একটি মোবাইল ফোন সেবা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট হিসাবে ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বছরের পর বছর ধরে এটি ট্যাবলেট মেরামত, অ্যান্ড্রয়েড মেরামত এবং স্মার্টফোন মেরামতের মতো আরও বিভিন্ন প্রযুক্তিগত কোর্সের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তির সেরা প্রযুক্তিগত ইনস্টিটিউটের মধ্যে এটি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

  • স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী মোবাইল সার্ভিসিং এর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
  • হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার প্রশিক্ষণ এর নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।
  • সহজ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
  • নিশ্চয়তার পাশাপাশি প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের সহযোগিতা আপনাকে আরো স্বাবলম্বী করে তুলবে।
  • প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে আমরা একধাপ এগিয়ে।
  • মানুষ যা ভাবতে পারে, যা বিশ্বাস করে, তা অর্জনও করতে পারে, এই কথাটা ১০০% প্রমান করাই আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
  • আপনার হতাশাগ্রস্থ জীবনকে আবার নতুন করে গড়ে তোলার জন্য আমরা আছি আপনার পাশে সবসময়।
  • উন্নত ও উন্নতির শীর্ষ শিখরে পৌঁছানোয় সহায়তা করাই আমাদের একমাত্র সাধনা।
  • কথায় নয় কাজেই আমাদের  পারদর্শীতার প্রমান।
  • কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ায় আমরা বিশ্বাসী।
  • নিত্য নতুন সম্ভাবনাকে কারিগরী প্রযুক্তিতে বদলে দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য।
  • লক্ষ্যের সর্বশিখরে পৌঁছানো আমাদের ভাবনা।
  • জীবনকে অন্ধকারে না রেখে বাস্তবতার মুখোমুখি করে তোলাই আমাদের কাজ।
  • কল্যানময় জীবনকে সুখময় করে তোলাই আমাদের প্রয়াস।
  • প্ররোচনার সিঁড়ি ভেঙ্গে সফলতার ছোঁয়াকে আমরা প্রত্যেকের মাঝে বিলিয়ে দিতে চাই।
  • অনিশ্চয়তাকে নিশ্চিত করে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার প্রচেষ্টাই আমাদের পথচলা।
  • ব্যর্থতার কলুষতাকে নব জাগরণের সমৃদ্ধিময় আশায় পরিণত করার অদম্য চেষ্টা আমাদের।
  • ধৈর্য্য ও সৌহার্দ্য সম্প্রীতিকে সাথে নিয়ে আমরা চলেছি দুরন্তগতিতে।

মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ কোর্সে অধ্যয়ন এর যোগ্যতা

  • বিশ্বস্ত মনোভাব থাকতে হবে।
  • আত্মকর্মসংস্থান আগ্রহী ও চাকুরী সন্ধানী ব্যক্তিগণ।
  • নিজের উপর আত্মবিশ্বাস ও মোবাইল মেরামত (Mobile Repairing Servicing) কাজের প্রতি আগ্রহী থাকতে হবে।
  • যারা নিজে মোবাইল বিক্রয় (Mobile Sales)  মোবাইল সেবা কেন্দ্র (Mobile Care Center) ব্যবসা শুরুকরতে আগ্রহী।
  • যে কোন বয়সের মোবাইল মেরামত (Mobile Repairing) ব্যবসা/চাকুরী ক্ষেত্রে আগ্রহী ব্যক্তি / ছাত্র / বেকারদের জন্য প্রযোজ্য।
  • যে কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার মোবাইল মেরামত (Mobile Repairing) ব্যবসা/চাকুরী ক্ষেত্রে আগ্রহী ব্যক্তি / ছাত্র / বেকারদের জন্য প্রযোজ্য।
  • হার্ডওয়্যার + সফটওয়্যার (ফাইল সাপোর্ট ছাড়া) = ১২,০০০/=
  • হার্ডওয়্যার + সফটওয়্যার (ফাইল সাপোর্ট সহ) = ২২,০০০/= 
  • সফটওয়্যার (ফাইল সাপোর্ট ছাড়া) = ৮,০০০/=
  • সফটওয়্যার (ফাইল সাপোর্ট সহ) = ১৮,০০০/=
  • সফটওয়্যার প্যাকেজ = ১০,০০০/=
  • এডভান্সড ট্রেনিং+সফটওয়্যার+ফাইল সাপোর্ট= ১৫,০০০/= (৭/১০দিনের মেয়াদ)

যোগাযোগঃ ০১৭১৬ ৯৮৮ ৯৫৩

 

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-০১]

এটা আমার প্রথম টিউন, ভুল হলে ক্ষমা করবেন । প্রথমেই আমরা পরিচিত হব যে সকল যন্ত্র-পাতি দিয়ে কাজ করব।মোবাইল রিপিয়ার(মেরামত)করতে যে সকল যন্ত্র-পাতি লাগে তার মাঝে উল্লেখ করা যাই-

  • মোবাইল টুল বক্স,
  • হটগান,
  • এভোমিটার,
  • পাওয়ার সাপ্লাই,
  • কুইক চার্জার,
  • একটি টেবিল লেম্প(মেগ্নিফ্লাইং গ্লাস সহ),
  • লিড কয়েল,
  • রজন,
  • মেজিক তার,
  • থিনার,
  • সোল্ডারিং পেস্ট,
  • একটি টুথ ব্রাশ,
  • হিট বক্স ইত্যাদি।
  • মোবাইল টুল বক্স :মোবাইল টুল বক্স এ সাধারনত যা থাকে-
  • একটি T6
  • একটি  T4
  • একটি  star
  • একটি মাইনাস
  • দুইটা টুইজার
  • একটি নুস প্লাস
  • একটি কাটিং প্লাস ইত্যাদি।

চিত্র মোবাইল টুল বক্স-

হট গান :সোল্ডারিং ওইয়ার,তাতাল।

মোবাইল টুল বক্স এ যে সকল টুলসের পরিচয় করিয়ে দিলাম,তার কাজ হচ্ছে মোবাইলকে খুলা ও ফিটিং করা।আর হটগান এর কাজ হচ্ছে মোবাইলের আইসি উঠানো-বসানো,সোল্ডারিং,ঝালাই করা ইত্যাদি।

চিত্র হট গান-

কারেন্টঃ

মোবাইলের কাজ করতে আমাদের কারেন্ট ব্যবহার করতে হবে,তাই এ কারেন্ট সম্পর্কে আপনাদের ছোট একটা ধারণা দেয়।কারেন্ট মূলত দুই প্রকার-

  • AC-AC হচ্ছে Alternative Current.যে কারেন্ট বা বিদ্যুত চলার সময় তার গতিপথ পরির্বতন করে চলে তাকে এসি কারেন্ট বলে।
  • DC-DC হচ্ছে Direct Current.যে কারেন্ট বা বিদ্যুত চলার সময় তার গতিপথ পরিবর্তন

করেনা(এক মুখি হয়ে চলে)তাকে ডিসি কারেন্ট বলে।

এক্সট্রা  নলেজ 

  • মোবাইল সেটে যদি পাওয়ার না আসে তাহলে প্রথমেই চেক করব ব্যাটারি।
  • মোবাইলে চার্জ দেয়ার সময় ব্যাটারি বার ফুল দেখায়,কিন্তু চার্জার খুলে ফেললে ব্যাটারি বার খালি দেখায় তাহলে বুঝতে হবে চার্জিং আইসি খারাপ।
  • মোবাইলে চার্জ দেয়ার সময় যদি চার্জ হতে সমস্যা করে,চার্জ এক বার হয় আবার হয়না তাহলে প্রথমে চার্জার ঠিক আছে কিনা দেখব।

মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-০২] এভোমিটার

আজ আবার আপনাদের সামনে হাজির হলাম,আমার ২য় টিউন নিয়ে।

আজ আপনাদের সামনে একটি ডিভাইস নিয়ে আলোচনা করব।আমাদের কাজ করতে অত্যন্তপ্রয়োজন যে বুমাটি 😉  সেটি হচ্ছে এভোমিটার। এভোমিটার দুই ধরনে হয়ে থাকে।এনালগ ও ডিজিটাল। আমি এনালগ নিয়েই আলোচনা করব।কারণ ৯৮% এটা ব্যবহার হয় চলুন এক নজর দেখে নেই এভোমিটার।

Avometer:-

কাজের দিক দেয়ে এভোমিটার কে চার ভাগে ভাগ করা যায়।

  • AC Voltage
  • DC Voltage
  • DC mili Ampear
  • Ohm

  • AC Voltage:-Ac voltage মাপার সময় এভোমিটার সিলেক্টর AcV 250 এ রেখে মাপতে হবে,তখন Avometer এর চতুর্থ স্কেল দেখতে হবে।
  • Dc Voltage:- Dc Voltage মাপার সময় Avomiter selector Dc V 10 রেখে মাপতে হবে,তখন মিতারের ২য় স্কেল দেখতে হবে।
  • Dc Mili Ampiear :- ব্যাটারীর এম্পিয়ার মাপার সময় dcma25 আথবা 0.25 এ রেখে মাপতে হবে।ব্যাটারী ভাল থাকলে মিটারের রিডিং দ্রুত দেখাবে।
  • Ohm:-Avometer Selector x1 থেকে x10k রেখে মাপতে হবে,তখন মিটারের প্রথম স্কেল দেখতে হবে।

Charger:-Avometer Selector Dc V10 রেখে মাপতে হবে,চার্জার যদি ভাল হয় তাহলে ৬-১০ ভোল্টিজ দেখাবে,নষ্ট হলে দেখাবে না।6 Voltage এর নিচে দেখালে চার্জ হবে না,আবার যদি 10v এর উপরে দেখাই তাহলে জানবে চার্জার ভাল না

Adoptor বা কুইক চার্জারঃ-এর কাজ হচ্ছে ব্যাটারী কে তাড়াতাড়ি চার্জ দেয়া।সর্বোচ্চ দুই মিনিটে চার্জ হবে।

মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-০৩] পার্টস পরিচিতি পর্ব-১

আসসালামু আলাইকুম।আশা করি সবাই ভাল আছেন ।আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির ৩য় টিউন টা নিয়ে ।আজকের টিউন খুবই গুরুক্ত বহন করে ।বকবক না করে চলে যাই মূল পর্বে –

Speaker:

যার মাধ্যমে আমরা কথা শুনতে পায়, তার নাম Speaker। Speaker মাপার নিয়ম-এভোমিটারের x1বা x10 রেখে মাপতে হবে,স্পিকার ভাল থাকলে শব্দ হবে,নস্ট হলে কোন প্রকার শব্দ হবে না।আর মিটারের কাটা যদি ১০০ উহম এর উপরে চলে যায় তাহলে স্পিকারের শব্দ আস্তে হবে।শব্দ না হলে বুঝেতে হবেSpeker খারাপ।

Ringer:

যার মাধ্যমে আমরা কোন Massage বা তথ্য আসলে শুনতে পাই,মোবাইলে কল আসলে রিং এর শব্দ যার মাধ্যমে বেজে উঠে তাকে Ringer বলে। Ringer মাপার নিয়ম- এভোমিটার সিলেক্টর x1বা x10 রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে শব্দ হবে এবং মিটারের কাটা ৫-১৫ওহম দেখাবে।

Vibrator:

Vibrator এর কাজ হচ্ছে মোবাইল সেট কে কাঁপানো। Vibrator মাপার নিয়ম-Avometer Selector x1বা x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাইব্রেটর ভাল থাকলে ঘুরবে,নষ্ট থাকলে ঘুরবে না।

Microphone:

যার মাধ্যমে আমাদের কথা অপর প্রান্তে শুনতে পাই তাকে মাইক্রোফোন বলে বা এর নাম Microphone। Microphone মাপার নিয়ম- এভোমিটার সিলেক্টর x1 বা x10 রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে মিটারের রিডিং ৫-১৫ ওহম এর মধ্যে দেখাবে।

L.E.D : (Laight Emeting Diode)

Mobile এর কিপেড ও ডিসপ্লেতে লাইট বা আলো জলার জন্য যা ব্যবহার করা হয়েছে তাকে L.E.D বলে। এল ই ডি  মাপার নিয়ম-এভোমিটার x1 বা x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে জলবে,নষ্ট হলে জলবে না।

Fuse: 

Fuse এর কাজ হচ্ছে মাদার বোর্ডের সম্পুর্ণ ভোল্টেজ কে কনট্রোল কর। Fuse সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে।Fuse সাধারনত কালো রং এর হয়ে থাকে,এর দুই পাশে silver বা সাদা রঙ এর দাগ দেয়া থাকে।আবার Fuse সাধারনত অর্ধেক কালো,অর্ধেক সাদা রং এর হয়ে থাকে।(ক্ষেত্র বিশেষে Fuse অন্যান্য রং এর হয়ে থাকে) Fuse মাপার নিয়ম-এভোমিটার এর x1k এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে 0ohm  দেখাবে,নষ্ট হলে দেখাবে না।

মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-০৪] পার্টস পরিচিতি পর্ব-২

 

আসসালামু আলাইকুম ।আশা করি সবাই ভাল আছেন,আমিও ভাল শুরু করছি আজকের ৪র্থ টিউন । আশা করি সাথা থাকবেন-

Electrolitic Capacitor

Electrolitic Capacitor কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।(a)Polaraty Capacitor,(b)Non Polarati Capacitor

(a)Polarati Capacitor:

চেনার উপায়,এটা সাধারনত হলুদ রং এর হয়ে থাকে,এর positive প্রান্তে বাদামি বা ধুসর  রং এর দাগ দেয়া থাকে।আবার polarity capacitor যদি কালো রং এর হয় তাহলে এর পজেটিভ প্রান্তে সাদা বা সিলবার এর দাগ দেয়া থাকে।

Polarity capacitor :

মাপার নিয়ম-এভোমিটার সিলেক্টর x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে মান দেখাবে।আর যদি নষ্ট হই তাহলে কোন মান দেখাবে না।

চিত্র – polarity capacitor

Non Polarety capacitor চেনার উপায়ঃ-

  • ইহা সাধারনত বাদামি ও ধুসর কালার হয়ে থাকে। এর গায়ের দুপাশে সাদা বা সিলভার রং এর দাগ দেয়া থাকে।
  • মাপার নিয়মঃ-Avometer selector x10k এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে মিটারের রিডিং দেখিয়ে Discharge বা ব্রেক করবে।
  • Ceramic Capacitor :চেনার উপায়ঃ-ইহা সাধারনত বাদামি বা ধুসর রং এর হয়ে থাকে,এর গায়ের দু’পাশে সাদা বা সিলবার রং এর দাগ দেয়া থাকে।Ceramic capacitor অবশ্যই অবশ্যই non polarity capacitor থেকে ছোট হবে।
  • Ceramic capacitor মাপার নিয়মঃ-Avometer Selector x10 এ রেখে মাপতে হবে, ভাল থাকলে মিটারের কোন রিডিং দেখাবে না।
  • Transistor:-ট্রানজিস্টর এর কাজ হচ্ছে Amplifli করা বা সংকেতকে বর্ধিত করা।Transistor সাধারনত তিন পিন ও কালো রং এর হয়ে থাকে।

1.Base Pin,2.Collector Pin,3.Emetor Pin.

  • Base Pine সব সময় input থাকে,
  • Collector Pin সব সময় output থাকে,
  • Emetor Pin সব সময় Ground থাকে।

Transistor মাপার নিয়মঃ-এভোমিটার সিলেক্টর এক্স১০ এ রেখে মাপতে হবে,মিটারের নেগেটিভ প্রান্ত Common বা স্থায়ী রেখে অথবা ১নং পিন এ রেখে,মিটারের প্রজেটিভ প্রান্ত দিয়ে ২নং ও ৩ নং পিন এ স্পর্শ করলে যদি মিটারের রিডিং ৫-১৫ ওহম দেখাই তাহলে বুঝব Transistor ভাল আছে।

মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-০৫] :: (A – Z) পার্টস পরিচিতি পর্ব-৩

মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স

Diode:

Diode এর কাজ হচ্ছে AC কে DC করা বা বিদ্যুতকে এক মুখি করা। Diode সাধারনত তিন প্রকার-

  • Normal Diode
  • Genear diode
  • Stepup diode

Normal Diode সাধারনত কালো রং এর হয়ে থাকে,দুই পিন বিশিষ্ট।এর এক পাশে সাদা বা যে কোন দাগ দেয়া থাকতে পারে।এর গায়ের উপর “U” আকৃতির ভাঙ্গা দাগ থাকতে পারে।

Avometer Selector x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে এক পাশে মান দেখাবে। নষ্ট হলে মান দেখাবে না ।

Genar Diode:চেনার উপায়ঃ-ইহা সাধারনত কালো রঙ এর হয়ে থাকে।ছয় পিন বিশিষ্ট,এর গায়ের এক পাশে সাদা বা যে কোন দাগ থাকতে পারে।এর ৩ নং পিন output থাকে এবং ৪নং পিন input থাকে।

Stepup Diode:-চেনার উপায়-ইহা সাধারনত কালো রঙ এর হয়ে থাকে,ছয় পিন বিশিষ্ট।এর ৩পিন output থাকে এবং ৩ পিন input থাকে।

Ganar Diode & Stepup Diode মাপার নিয়মঃ-Avomiter selector Dc V10 এ রেখে,মাদার বোর্ডে চার্জার লাগিয়ে,মিটারে নেঘেটিভ প্রান্ত গ্রাউন্ড রেখে মাপতে হবে।ভাল থাকলে মান দেখাবে নষ্ট হলে দেখাবে না।

Coil: Coil এর কাজ হচ্ছে বিদ্যুতকে হালকা বাধা প্রদান করা।ইহা সাধারনত কলো রঙ এর হয়ে থাকে, এর গায়ের দুপাশে সাদা বা সিলভার রঙ এর দাগ দেয়া থাকে।ক্ষেত্র বিশেষ coil অন্যান্য কালার ও হয়ে থাকে।

Coil মাপার নিয়মঃ-Avomiter x10 রেখে মাপতে হবে ভাল থাকলে 0.ohm দেখাবে,নষ্ট হলে কোন মান দেখাবে না

Resistor:- এর কাজ হচ্ছে বিদ্যুতকে বাধা প্রদান করা।ইহা কালো বা নীল রঙ এর হয়ে থাকে,এর গায়ে voltage লেখা থাকে।Mobile এর অন্যান্য পার্টস এর তুলনায় রেজিস্টার পাতলা হয়ে থাকে।

Resistor মাপার নিয়মঃ-Avometer x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে মান দেখাবে নষ্ট হলে দেখাবে না।

মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-০৬] মোবাইল সেকশন পর্ব-০১

আসসালামু আলাকুম ।আশা করি সবাই ভাল আছেন । আজ আবার আপনাদের সামনে হাজির হলাম ।এত দিনে আশা করি আপনারা মোটামোটি কিছু একটা ধারনা আপনারা পাইছেন ।আজ আমি আপনাদের মোবাইল নিয়ে বলব । ত চলুন শুরু করি-

মোবাইল সেকশনঃ 

Mobile এ সাধারনত বডি,কেসিং,ব্যটারি,Display,P.C.B Board (পিনটেট কপার বোর্ড)বা মাদার বোর্ড থাকে

চিত্র মাদার বোর্ড

 

মাদার বোর্ড সাধারণত ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। 

  • Network Section
  • Control Section
  • Power Section

চিত্রে দেখুন সেকশন

আজ এই পর্যন্তই আবার দেখা হবে আগামি টিউনে সেই নাগাদ সবাই ভাল থাকবেন ।
মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-০৭] মোবাইল সেকশন পর্ব-০২ [ নেটওয়ার্ক সেকশন ]
আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সবাই ভাল আছেন । আজ আলোচনা করব মোবাইলের নেটওয়ার্ক সেকশন নিয়ে । আসুন শুরু করি-

Network Section

Network Section সাধারনত যে সকল আইসি থাকে তার মাঝে-

  • Antenna Swith
  • P.F/R.F ic
  • Capacitor
  • Coupler
  • Rx,Tx Line
  • Antenna
  • Network section চেনার উপায়-

ইহা সাধারনত Mobile set এর মাদার বোর্ড এর উপরের অংশে থাকে।Network section এর বেশির ভাগ parts গুলা মেটাল কালার হয়ে থাকে । যে সেকশনে মেটাল কালার parts বেশি পাওয়া যাবে ধরে নিতে হবে সেটাই Network section. ক্ষেত্র বিশেষে একই রকম না ও হতে পারে ।

Antenna :

যে যন্ত্রের সাহায্যে ইলেকট্রনিকেল সিগন্যালকে ধরে রাখতে পারে এবং ছেড়ে দেয় তাহাই হচ্ছে Antenna. মোবাইল সেট এ সাধারনত দুই ধরনের antenna ব্যবহার হয়ে থাকে।

  • Indoor Antenna
  • Out-door Antenna

Indoor antenna:- ইহা মোবাইল সেট এর ভিতরের অংশে থাকে,তাই এই antenna কে দেখা যাই না ।

চিত্র ইনডোর এনটেনা

Out-door antenna:- ইহা মোবাইল সের এর বাহিরের অংশে থাকে,তাই এই antenna কে দেখা যায় ।

Antenna Switch:

ইহার কাজ হচ্ছে Incoming ও Outgoing Signal কে controll করা । ইহা সাধারনত ৬থেকে ১৬ পিন বিশিষ্ট হয়ে থাকে ।এর গায়ের উপর rx/tx বা ant লেখা থাকবে,যদি লেখা না থাকে তাহলে এর গায়ে একাধিক ছিদ্র থাকবে । তবে বর্তমানে অনেক সেট এ Antenna Switch ব্যবহার করা হয় না ।

চিত্রে দেখুন

P.F/R.F :-P.F হচ্ছে (Power Frequency) আর R.F (Radio Frequency) ইহা দেখতে আয়তকার ও মেটাল কাভার যুক্ত হয় ।আবার ইহা কালো রং এর হয়ে থাকে ।যদি মেটাল কাভার যুক্ত হয় তাহলে এর গায়ের উপর P.F কথাটি লেখা থাকবে ।আর যদি কালো রং এর হয় তাহলে এর গায়ে R.F লেখা থাকে ।ইহা সাধারনত এন্টিনা সুইচ এর কাছে থাকে ।এর কাজ হচ্ছে 900-1800 Hz ফ্রিকোয়েন্সি কন্ট্রোল করা ।P.F/R.F নষ্ট হলে অনেক সময় সেট এ পাওয়ার থাকে না এবং সেট এ Network থাকে না ।

চিত্র পিএফ/আরএফ

Coupler: Coupler দেখতে সাদা বা ধুসর রং এর হয়ে থাকে ।৬থেকে ৮পিন বিশিষ্ট ।coupler এর কাজ হচ্ছে দুই পার্টসের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা ।x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে উভয় পাশে 0hm দেখাবে নষ্ট হলে কোন মান দেখাবে না

চিত্র

Rx,Tx Line: এই লাইনগুলি এনটেনা থেকে মোবাইলের ভিতর প্রবেশ করে থাকে ।এই লাইন দিয়েই সিগনাল আদান প্রাদান হয় ।

চিত্র

কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে করতে পারেন ।
মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-০৮] মোবাইল সেকশন পর্ব-০৩ [কন্ট্রোল সেকশন]
আজ আবার হাজির হলাম আপনাদের সামনে। আজ মোবাইল সার্ভসিং কোর্স এর ৮তম টিউন। আশা করি আপনারা ভাল আছেন। ত চলুন শুরু করি।

Control Section:

ইহা সাধারনত পাওয়ার সেকশন ও নেটওয়ার্ক সেকশন এর মাঝে থাকতে পারে। control section এর আইসি গুলো সাধারনত কালো রং এর হয় এবং একত্রে থাকে। কন্ট্রোল সেকশন এর মাঝে সাধারনত যে সকল আইসি থাকে-C.P.U, Audio ic, Ram, Romইত্যাদি।

চিত্র কন্ট্রোল সেকশন

C.P.U:-ইহা দেখতে বর্গাকার ও কালো রঙ এর। মাদার বোর্ড এর দিতীয় বড় আইসি হচ্ছে এটি। C.P.U এর কাজ হচ্ছে সম্পুর্ণ মাদার বোর্ডকে Control করা। C.P.U নষ্ট বা un-solder হয়ে থাকলে, Mobile set এ পাওয়ার আসবেনা, Sim Card, Keypad কাজ করবেনা। এ ছাড়াও Network সমস্যা, Display সমস্যা, SoftwareProblem ইত্যাদি এ সকল সমস্যা এই C.P.U এর কারণে হয়ে থাকে। C.P.U সাধারনত পরিবর্তন করা যায় না।

Audio Ic:Audio ic হচ্ছে একটি ইলেক্ট্রনিক আইসি যা Audio signal control বা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে শব্দের আদান-প্রদানে সহায়তা করে থাকে। ইহা সাদারনত ৪৮-৬০ পিন এর হয়ে থাকে। দেখতে বর্গাকার ও কালো রং এর এবং চারদিকে পিন বিশিষ্ট হয়ে থাকে।

Audio ic এর কাজ ও নষ্ট হলে বুঝার উপাইঃ-

ইহা Speaker, Ringer.Microphone, Audio signel control করে থাকে। অডিও আইসি নষ্ট হলে কথা শুনা যায় না। অর্থাৎ শাব্দের আদান-প্রদান বন্দ হয়ে যায়। এছাড়াও ইহা নষ্ট হয়ে গেলে mobile set এর network থাকে না। Speaker, Ringer, Microphone ঠিক থাকার পরও যদি কথা না শুনা যায় অর্থাৎ শব্দের আদান-প্রদান বন্দ থাকে, তবে বুঝতে হবে Audio icনষ্ট।

Ram ওRom :Ram ও Rom হচ্ছে একটি মেমোরি ডিভাইস। Ram এর অর্থ হচ্ছে Random Access Memory.আর Rom  এর অর্থ হচ্ছে Red Only Memory.এই দুটি আইসি সাধারনত C.P.U এর পাশে থাকে। কিছু কিছু সেটের আইসির গায়ে Flash কথাটি লেখা থাকে, সেটাই হচ্ছে Rom এবং এর পাশেরটা হচ্ছে Ram.এই দুটি আইসি সব সময় পাশাপাশি থাকে।

Ram ও Romএর কাজঃ-

  • Ram অস্থায়ী ভাবে Data collection করে থাকে। আর Rom স্থায়ী ভাবে Data collection করে।
  • Ram নষ্ট হলে অস্থায়ী ডাটা গুলো মুছে দেয় এবং Network থাকে না।
  • Rom নষ্ট হলে স্থায়ী ডাটা গুলো মুছে দেয় এবং Power ও Network দুটোই থাকে না।

N:B Ram ও Rom নষ্ট হলে software দিয়ে সমস্যা সমাধান করতে হবে।

Extra Knowledge

  • সেট on/off হতে যদি সমস্যা করে তাহলে switch পরিবর্তন করব।
  • Set Death হয়ে গেলে প্রথমে Batteryচেক করব, তারপর ব্যটারী কানেক্টর ভাল করে চেক করতে হবে।
  • Keypad hang হয়ে গেলে কিপেডের নিচে একটা পাতা থাকে(কিপেড পাতা) সেটা আমরা পরিস্কার অথবা পালটিয়ে দিব।
  • Call করার মাঝে বা কথা বলার মাঝখানে সেট off হয়ে যাই তাহলে আমরা বুঝব Batteryআয়ু শেষ।
  • কল করার শুরূতে যদি পাওয়ার অফ হয়ে যায় তাহলে Battery connector লুজ।
  • আমি শুনি কিন্তু অপর প্রান্ত শুনতে পায় না Microphone নষ্ট।
  • অপর প্রান্তে আমার কথা শুনে কিন্তু আমি শুনিনা Speaker খারাপ।

ভাল থাকবেন সবাই আবার দেখা হবে আগামি টিউনে।

মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-০৯] মোবাইল সেকশন পর্ব-০৪ [ পাওয়ার সেকশন ] সেকশন পর্ব শেষ ।

আসসালামু আলাইকুম। আজ আপনাদের সামনে হাজির হলাম মোবাইল সার্ভিসিং এর ৯ম ও মোবাইল সেকশন এর শেষ তম পর্ব নিয়ে। কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করি –

Power Section:

Power section সাধারনত Battery বা Charging connector এর পাশে থাকে। পাওয়ার সেকশন এর পার্টস গুলো,যেমন-Capacitor,Diode,Resistor ইত্যাদি parts গুলো সাধারনত অন্যান্য সেকশন এর পার্টস থেকে একটু বেশি বড় বড় হয়ে থাকে।

Power section এর যে সকল parts বা Ic থাকে তার মাঝে উল্লেখ করা যায়-

  • Power Ic
  • R.T.C
  • Charging Ic
  • Baek-up Battary
  • Charging Resistor
  • Filtaring Capacitor
  • Charging Diode
  • U.E.M Ic
  • Power Ic:

চেনার উপাই ইহাঃ- দেখতে সাধারনত বর্গাকার এবং কালো রঙ বিশিষ্ট। power ic এর চারপাশে সাধারনত প্রচুর কেপাসিটর,রেজিস্টর থাকে। তবে কিছু কিছু সেট এ পাওয়ার আইসি যে কোন আকারের হতে পারে। আবার কোন কোন সেট এ পাওয়ার আইসির চারপাশে কোন পার্টস থাকে না।

চিত্র পাওয়ার আইসি

পাওয়ার আইসির কাজঃ-Battary থেকে 3.6v নিয়ে সম্পুর্ণ মাদার বোর্ডে Voltage সরবারাহ করাই power ic এর কাজ।

নষ্ট হলে বুঝার উপায়ঃ-Avometer selector Dcv10 এ রাখতে হবে,on/off সুইচ এ যদি কোন Voltage না পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে power Ic খারাপ। ইহা Unsolder অথবা নষ্ট হয়ে গেলে সেট এ পাওয়ার আসবে না।

R.T.C:-

R.T.C (Real Time Clack Crystal) ইহা দেখতে সাধারনত আয়তকার এবং কালো রং এর হয়ে থাকে। চার পিন বিশিষ্ট হয়ে থাকে,তবে কিছু কিছু সেট এ ইহা দেখতে সোনালী রং এর হয়ে থাকে,বোতল আকৃতির এবং দুই পিন বিশিষ্ট।

R.T.C কাজ ও মাপার নিয়মঃ-Mobile সেট এ সময় ও তারিখ ঠিক রাখা। ইহা নষ্ট হয়ে গেলে মোবাইল সেট এর তারিখ ও সময় ঠিক থাকবে না। x10 রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে কোন মান দেখাবে না। নষ্ট হলে যে কোন মান দেখাবে।

Charging Ic:

ইহা দেখতে সাধারনত কালো রং এর হয়ে থাকে,৮ থেকে ১৬ পিন বিশিষ্ট। Charging ic এর চারপাশে বড় বড় resistor,Diode,Coile ইত্যাদি থাকতে পারে।

Charging Ic ইহার কাজ ও নষ্ট হলে বুঝার উপাইঃ-ইহা চার্জার থেকে 6-10v নিয়ে 3.6v ব্যাটারীতে সরবারাহ করাই হল এর কাজ। Charging ic নষ্ট হলে মোবাইল সেট এ চার্জ হবে না। Avometer Selector Dcv10 রেখে মাপতে হবে। চার্জার মোবাইলে লাগিয়ে, Battery connector এ মিটারে তার দিয়ে ধরব। তখন মিটারে যদি ভল্টিজ দেখাই তাহলে বুঝব আইসি ভাল আছে,নষ্ট হলে কোন Voltage দেখাবে না।

Charging Resistor:

Charging Ic এর পাশে যে বড় Resistor থাকে সেটাই হল Charging resistor. অতিরিক্ত চার্জ কন্ট্রোল করাই হল চার্জিং রেজিস্টর এর কাজ।

মাপার নিয়মঃ-Avometer Selector x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে যে কোন মান দেখাবে। নষ্ট হলে কোন মান দেখাবে না।

Back-up Battery:

ইহা দেখতে ঘড়ির ব্যাটারীর মত। Back-up Battery এর কাজ হচ্ছে মোবাইল সেট এর সময় ও তারিখ ঠিক রাখা। ইহা সাধাতনত 2.5v হয়ে থাকে। ইহা নষ্ট হয়ে গেলে মোবাইল সেট এ তারিখ ও সময় ঠিক থাকবেনা। Dcv10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকেলে সর্বনিম্ম 1.5v দেখাবে। নষ্ট হলে কোন ভোল্টেজ দেখাবে না।

Charging Diode:-

Mobile এর সব সেটে চার্জিং আইসি ব্যবহার করা হয় না,এর পরিবর্তে Normal Diode বা Step-up Diode ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চার্জ কন্ট্রোল করাই হল ইহার কাজ। নষ্ট অথবা un-solder হয়ে থাকলে ব্যটারীতে চার্জ হবে না।

U.E.M Ic :

দেখতে সাধারনত বর্গাকার এবং কালো রং এর হয়ে থাকে। U.E.M ic এর চারপাশে প্রচুর পরিমানে capacitor,resistor দেয়া থাকে। ইহা সাধারনত C.P.U থেকে একটু বড় হয়ে থাকে।

U.E.M আইসির কাজঃ-Charging ic,Audio ic,Power ic,Speaker,Ringer,Microphone,Vibrator ইত্যাদি Control করাই হল ইহার কাজ।

U.E.M ic নষ্ট হয়ে গেলে Speaker,Ringer,Microphone,Vibrator ভাল থাকা সত্তেও কাজ করবে না।

মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-১০] পাওয়ার সলোশন [বেসিক] মরা সেট জিন্দা করা, মিস করবেন না ।

আসসালামু আলাইকুন আবার আপনাদের সামনে আমি হাজির হলাম মোবাইল ট্রেনিং এর ১০তম টিউন নিয়ে ।কথা না বাড়িয়ে চলুন  শুরু করি-

Power Solution {Any Mobile(basic)}

  • সর্বপ্রথম ব্যাটারী চেক করব ।
  • ব্যাটারীতে ভোল্টেজ ও এম্পিয়ার আছে কি না চেক করব,যদি না থাকে তাহলে কুইক চার্জার দিয়ে চার্জ দিব ।
  • ময়লা বা মরিচা থাকলে থিনার বা সিরিজ পেপার দিয়ে  পরিস্কার করব ।
  • এরপর চেক করব ব্যাটারী কানেক্টর ।
  • ব্যাটারী কানেক্টরে যদি ময়লা বা মরিচা থাকে তাহলে সিরিজ পেপার দিয়ে ভালবাবে পরিস্কার করব ।
  • ব্যাটারীর সাথে কানেক্টরের সংযোগ পাই কিনা দেখেনিব,সেই সাথে মিটার দিয়ে ব্যাটারী কানেক্টরটি চেক করব ।যদি সেট ভাল থাকে তাহলে এক পাশে মান দেখাবে ।যদি উভয় পাশে মান দেখাই বা 0hm দেখাই তা হলে বুঝব সেটটি শর্ট আছে ।
  • যদি শর্ট পাওয়া যাই তাহলে সম্পুর্ন মাদার বোর্ডটি থিনার দিয়ে ভাল করে পরিস্কার করব এবং টেবিল ল্যাম্প দিয়ে ১ থেকে ২ ঘন্টা হিট দিব ।
  • এরপরও যদি শর্ট না যায় তাহলে ব্যাটারী ও চার্জার লাগানো অবস্থায় সেট অন করার চেস্টা করব ।
  • তারপর দেখব সেটের কোন অংশ গরম হয় কিনা । যেই খানে গরম হবে বুঝতে হবে শর্টটি সে খানেই ।এক্ষেত্রে ভালবাবে দেখতে হবে কোন পার্টসটি বা কোন আইসি টি গরম ।যে পার্টস বা আইসিটি গরম হবে বুঝতে হবে সেটির মাঝেই শর্ট ।সেইক্ষেত্রে ঐ পার্টস বা আইসিটি উঠিয়ে ফেলতে হবে,এবং পরিস্কার করে আবার লাগাব ।অতঃপর সেট শর্ট আছে কি না দেখব ।যদি সেট শর্ট থাকে তাহলে ঐ পার্টস বা আইসিটি পরিবর্তন করব ।

বিঃদ্রঃ সেট খোলা, ফিটিং ও সকল কাজ নিজ দায়িত্তে করবেন ।কোন ক্ষতি হলে লেখক কোন ভাবে দায়ি থাকবেনা ।

মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স [পর্ব-১১] চার্জিং সলোশন [বেসিক]।আপনার মোবাইল খানা খাচ্ছে না !এবার খাবে ।

আসসালামু আলাইকুম ।সবাই কেমন আছেন ? আজ আবার আপনাদের সামনে হাজির হলাম মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স এর নতুন আরেকটি টিউন নিয়ে ।  আজ মোবাইলের চার্জিং সমাধান কি ভাবে করা যায় তার প্রাথমিক আলোচনা করব ।তা হলে চলুন শুরু করি ।

Charging Solution

Any Mobile(Basic)

1.   সর্বপ্রথম চেক করব চার্জার ভাল আছে কি না ।যদি ভাল থাকে তাহলে ৬-৮v দেখাবে ।
2.   এরপর চেক করব চার্জিং কানেক্টর । ময়লা বা মরিচা আছে কি না,যদি থাকে তাহলে ভাল করে পরিস্কার করব ।
3.   ভাঙ্গা বা নষ্ট থাকলে পরিবর্তন করব ।
4.   ভাল থাকলে চার্জারের সমান ভোল্টেজ দেখাবে ।
5.   এরপর চেক করব ব্যাটারী (অনেক সময় ব্যাটারীর ভোল্টেজ ও এম্পিয়ার ঠিক দেখাবে কিন্তু তারপর ও ব্যাটারী চার্জ নেয় না,এক্ষেত্রে একটি ভাল ব্যাটারী দিয়ে টেস্ট করতে হবে) ।
6.   ব্যাটারীতে যদি এম্পিয়ার না থাকে তাহলে কুইক চার্জ দিয়ে নিতে হবে ।
7.   এরপর চেক করব ব্যাটারী কানেক্টর ।
8.   সেটে চার্জার লাগানো অবস্থায় ব্যাটারীর কানেক্টরে ব্যাটারীর সমান পরিনাম ভোল্টেজ পাওয়া যায় কি না ,সামান্য কমবেশি হতে পারে ।
9.   যদি ঠিক থাকে তাহলে সেটটিকে ভাল করে ওয়াশ করে টেবিল লেম্প এ দিয়ে হিট দিব ।

বিঃদ্রঃ সেট খোলা, ফিটিং ও সকল কাজ নিজ দায়িত্তে করবেন ।কোন ক্ষতি হলে লেখক কোন ভাবে দায়ি থাকবেনা ।

এই লিখাটির মুল মালিক হচ্ছেনঃ Md.Ishaq Mia

It is main inner container footer text