img

এফিলিয়েট মার্কেটিং : আগামি পাঁচ মাসের পাঁচ ট্রেন্ড

/
/
/
97 Views

এফিলিয়েট মার্কেটিং : আগামি পাঁচ মাসের পাঁচ ট্রেন্ড

এফিলিয়েট মার্কেট ইন্ডাস্ট্রি আগামি পাঁচ বছরে বাড়বে আরও ৬.৮ বিলিওন ডলার। তাই পৃথিবী জুড়েই সবার দৃষ্টি এখন এই মার্কেটের দিকে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেমন বেড়ে যাচ্ছে, তেমনি সুযোগও কিন্তু বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। ব্যবসায় রিটার্ন বাড়াতে হলে যেকোনো উদ্যোক্তার চোখ কান খোলা রেখে নিজেকে আপডেট রাখাটা খুব জরুরী। তাই দেখে নেয়া যাক আগামী পাঁচ মাসে যে পাঁচটি ট্রেন্ড এই ইন্ডাস্ট্রির দিক নির্দেশনা দেবে-

১. গো মোবাইল

শুধু এবছরেই মোবাইল অ্যাপস ইন্ডাস্ট্রিতে বিনিয়োগ হয়েছে ৭৬.৫২ বিলিওন ডলার-এথেকে ধারণা করা যায় এফিলিয়েশান মার্কেটে মোবাইল নামক জাদুর কাঠিটির গুরুত্ব।

মোবাইল অ্যাপের পাবলিশাররা স্বভাবতই চায় তাদের অ্যাপ গুলো মনেটাইজ করে ইনকাম বাড়াতে। আর তাই এদের সাথে এফিলিয়েটেড হওয়াটা অপেক্ষাকৃত সহজ। তাই মার্কেটারদের উচিৎ যত বেশী সম্ভব অ্যাপের সাথে সংযুক্ত হওয়া।

একই সাথে মোবাইল গ্রাহকদের ট্র্যাফিক বাড়াবার জন্য বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এফিলিয়েটেড মার্কেটের যারা লিডার রয়েছেন, তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এখন মোবাইল কনভার্সনের প্রতি।

একটা উৎসাহী ব্যাপার হচ্ছে এরা নিজেরাও অন্য ব্র্যান্ড দের সাথে অংশিদারিত্ত করতে আগ্রহী। তাই দেরী না করে এদের সাথে যোগাযোগ শুরু করে দিন।

২. আপডেটেড থাকুন

একটা নতুন টার্ম আজকাল পুরো অনলাইন মার্কেটেই চলছে-সেটা হচ্ছে ডিজিটাল শৃঙ্খলা! তাই নিজেকে প্রতিনিয়ত আরও স্কিল্ড করুন।

ফাটকা বিজ্ঞাপণ পার্টিগুলোর কমিশন রোধ বা কমাবার জন্য জোর দেয়া হচ্ছে শক্তিশালী ডাটা স্তাপনার-যেখানে সব স্টেকহোল্ডারদের সমান প্রবেশাধিকার থাকবে।

কনটেন্ট যে কি জিনিশ(বা key জিনিশ!)সেটা সবাই জানে। তবে ইদানিং গ্রাহকের ক্ষমতায়নের ব্যাপারটাও গুরুত্ব পাচ্ছে, যা সময়ের সাথে সাথে আরও বাড়বে। ক্যাশব্যাক বা ভাউচার কোডের মত যাদের বিজনেস মডেলে সরাসরি কনভার্সন পদ্ধতিটি বিল্ট ইন করা থাকে, তারাই আগামীতে নেতৃত্ব দেবে।

লং টেইল কনটেন্ট এফিলিয়েটদের দক্ষ কনভারশান এফিলিয়েটদের থেকে আলাদা করার সময় হয়েছে।

সাড়া জাগানো আন্তর্জাতিক ঘটনা, যেগুলোর নানাধর্মী প্রভাব রয়েছে যেমন-ব্রেক্সিট, আমেরিকা বা ফ্রান্সের নির্বাচন-এদেরকেও উপেক্ষা করা যাবেনা। ব্রেক্সিটের পর পরই ব্রিটিশ পণ্যের চাহিদা বেড়ে গিয়েছিলো কয়েক গুণ, যাদের অধিকাংশ ক্রেতাই আবার আমেরিকান! জেনারেল ডাটা প্রটেকশান রেগুলেশান (General Data Protection Regulation-GDPR) মাঝে মাঝেই তাদের সৃষ্টিছাড়া নিয়ম কানুন দিয়ে যেসব উটকো ঝামেলার সৃষ্টি করে, সেদিকে সতর্কও দৃষ্টি রাখতে হবে।

কারণ সব কিছুর মূলেই আছে টাকা, আর টাকা কামানোটাই এফিলিয়েট মার্কেটারদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য!

৩. বাঁধ ভেঙ্গে দাও

 

অনলাইন জগতের বড়বড় ব্র্যান্ড গুলো এখন ঝুঁকছে আরও মানবিক মার্কেটিঙের দিকে। মানবিক মানে দয়া মায়ার ব্যাপার নয়-রক্ত মাংশের মানুষদের অধিকতর অংশগ্রহণ বোঝানো হচ্ছে!

এর ফলে শুধু মার্কেটাররাই নয়, নেটওয়ার্কের সবাই লাভের গুড়ের ভাগ পাবে। এধরণের অংশীদারিত্তের নাম দেয়া হয়েছে ফ্রন্ট-যেখানে একজন আরেক জনের ব্র্যান্ডিং করবে। ফলে বিভিন্ন সাইটের একযোগে প্রমোশনের ফলে এক্সপোজার ও বিক্রি দুটোই বাড়বে।

মার্কেট ইনফ্লুএন্সার বা প্রভাবকদের কিভাবে আরও সৃষ্টিশীলভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিঙে কাজে লাগানো যায়। সব ডিম যেমন এক ঝুড়িতে রাখাটা ঠিক নয়, তেমনি সঠিক পণ্যের জন্য সঠিক ও দক্ষ ইনফ্লুএন্সার খুঁজে বের করা, তারপর সঠিক টুলের মাধ্যমে জায়গা মত ব্র্যান্ডিং। Influencer হতে হলে আপনিও কন্ট্রিবিউট করতে পারেন বাইটকোড ব্লগে

৪. ক্রস ডিভাইস ট্র্যাকিং

একজন গড় ক্রেতা একেক সময় একেক ডিভাইস ব্যাবহার করবে-এটাই স্বাভাবিক। তাই ক্রস ডিভাইস ট্র্যাকিং এখন খুবই গুরুত্তপূর্ণ ব্যবসা কৌশল।

সম্ভাব্য ক্রেতা তার মান্ধাতার আমলের ডেস্কটপে বা হাল ফ্যাশনের স্মার্ট ফোনেই ব্রাউজ করুক, ব্র্যান্ড গুলোকে এই সব কিছুই ট্র্যাক করতে হবে।

ভোক্তা বৈচিত্র্য বা তাদের ব্যাবহারের ওপর এই ক্রস ডিভাইস ট্র্যাকিং নির্ভর করে, যা ঠিকভাবে খুঁজে বের করাটাও একটা চ্যালেঞ্জ।

৫. ঊর্ধ্বগামী সূচক

কিছু ইন্ডাস্ট্রি সময়ের সাথে সাথে এখন মনোযোগ একটু বেশী পাচ্ছে। এর ফলে বেশ কিছু নতুন নিশ মার্কেটও সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে এখন বিনিয়োগ করলে দ্রুত ফল পাওয়া যাবে। (goo.gl/D2A7wT)

এদের মধ্যে জুয়া বা এডাল্ট নিশ যেমন আছে তেমনি গেমিং বা ইউটিলিটি এপও রয়েছে যাদের ডিমান্ড এখন আকাশ ছোঁয়া।
এসব নিশের টার্গেট মার্কেট দেশ বা স্থান নির্ভরশীল, তবে এদের ট্রাফিকের হার অবিশ্বাস্য দ্রুত।

শেষ কথা

কাজের সম্পর্ক গড়ে তুলে নিজস্ব নেটওয়ার্ক যতটা সম্ভব বাড়ানো ধান্দাবাজি নয়-সময়ের বাস্তব চাহিদা। আজকাল যার নেটওয়ার্ক যত বিশাল তার ইনকামও ততটাই বড়।  ( নেটওয়ার্ক  বড় করার জন্য বাইটকোডের  উদ্যেগ “ডেব )

একজন খাঁটি উদ্যোক্তা যেকোনো পরিবর্তনে সাড়া দেয়, তারপর সেটাকে সুযোগ বানিয়ে লাভ বের করে।

এফিলিয়েট মার্কেটের জন্য আগামী বছরটা হতে যাচ্ছে ব্রেক থ্রো ইয়ার। নৌকা বাইচে যে আগে থাকে, সেই জেতে। তাই আর দেরী না করে আজই শুরু করে দিন আপনার নিজস্ব এফিলিয়েট সাইটের কাজ..কাল হোক, পরশু হোক ডলার আসবেই!

গেস্ট পোস্ট টি করেছেন Riaz Shahid

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest

Leave a Reply

It is main inner container footer text